Fiverr সাইটে কিভাবে কাজ শুরু করবেন (A to Z Step by Step Discussion)

জনপ্রিয় ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ফাইভারে কি কাজ পাবেন।

Fiverr হচ্ছে Upwork এর মত আরেকটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস । Fiverr মার্কেটপ্লেসের কার্যবলী Upwork এর মত না। এই মার্কেটপ্লেস হল একটি দোকানের মত। একটি দোকানে যেমন সকল ধরনের পণ্য থাকে কাস্টমার বা গ্রাহক যা প্রয়োজন তা ক্রয় করে নিয়ে যায় ঠিক তেমনি Fiverr -এ ফ্রীলেন্সাররা নিজের কাজ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য দিয়ে “গিগ” তৈরি করে। ক্লায়েন্টের যেই সার্ভিস প্রয়োজন সেই সার্ভিসের একটি গিগ ক্রয় করে ফ্রীলেন্সারদের হায়ার করে। প্রতিটি গিগের সর্বনিন্ম মূল্য ৫ ডলার।

কি কি কাজ পাওয়া যায় এখানে:

এই মার্কেটপ্লেসে সকল ধরনের কাজ এর গিগ খোলা যায় যেমনঃ ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, PowerPoint Presentation, ডিজিটাল মার্কেটিং (এসইও, এসএমএম, ইমেইল মার্কেটিং), ল্যান্ডিং পেজ তৈরি, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি।

Fiverr সর্ম্পকিত আলোচনা:

কেমন আছেন সবা? আশা করি ভাল আছেন? আজকে আমি আপনাদের সাথে একটি জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস Fiverr নিয়ে আলোচনা করব। আমি Fiverr সম্পর্কে আমার নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করব । আশা করি আপনারা আমার লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।

আমরা নানা কাজে অযথা সময় ব্যায় করে থাকি। কিন্তু একটু সচেতন হলে আপনিও Fiverr থেকে মাসে অনেক অনেক ডলার আয় করতে পারেন। ফাইভার হল একটা অনলাইন মার্কেটপ্লেস। এখানে সেলার কোন একটি কাজের জন্য গিগ তৈরী করে।

ওই গিগটি যদি কোন বায়ারের দরকার হয় তাহলে গিগটা সে কিনবে। এভাবে ফাইভারে গিগ তৈরী করে আয় করা যায়। ফাইভার হলো একটি ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস। এখানে সার্ভিসেস কিনা বেচা হয়। প্রত্যেক সার্ভিসের মূল্য কমপক্ষে ৫ ডলার।

যেহেতু এটি একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস সেহেতু এখানে অনলাইন এবং প্রযুক্তি ভিত্তিক বিভিন্ন সেবা বিক্রি করা হয়। ফাইভার এ যে কোন ধরনের সেবা দিয়ে গিগ তৈরি করা যেতে পারে। সেটা হতে পারে একাউন্ট তৈরি করা থেকে শুরু করে সেই একাউন্টকে কম্পিলিট করা পর্যন্ত।

এখানে কাজ করতে হলে অবশ্যই কোনো কাজে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। যে কাজে পারদর্শী তেমন কিছু কাজ দিয়ে একাউন্ট সাজিয়ে রাখতে হবে যাতে বায়ারা সেটা দেখে আকষিত হয়। এটাকে ফাইভারের ভাষায় গিগ বলে। গিগ যত আকর্ষনিয় হবে কাজের তত রিকুয়েস্ট তত আসবে। এইসব কাজ করে দিতে পারলেই ঘরে বসে আয় করা যায়।

Fiverr বলতে কি বুঝ?

ফাইভার হল একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস যা বিভিন্ন ধরণের পরিষেবা, কার্য এবং মিনি-জব সরবরাহ করে। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত। সহজ ভাষায়, ফাইভার হচ্ছে একটি বেচা কেনা করার মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি একটি প্রোডাক্ট বিক্রি করবেন আর একজন বায়ার সেটি আপনার কাছ থেকে কিনবে।

যেহেতু এটি একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস সেহেতু আপনি এখানে অনলাইন এবং প্রযুক্তি ভিত্তিক বিভিন্ন সেবা বিক্রি করে পারবেন। ফাইভারের লক্ষ্য এমন একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা যেখানে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের উপলভ্য ডিজিটাল পরিষেবাগুলির বিজ্ঞাপন এবং তালিকাবদ্ধ করতে পারে।

ফাইভার এ সারা বিশ্বের অনেক বায়াররা বিভিন্ন ধরনের কাজ দিয়ে থাকে। এখানে অনুবাদের কাজ থেকে শুরু করে গ্রাফিক্স ডিজাইন, এসইও এবং অন্যান্য কাজ পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে সহজে কাজ পাওয়ার জন্য নুতন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ভিন্ন ধারার সেরা অনলাইন মার্কেটপ্লেস ফাইভার। ফাইভার ইতিমধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস হিসেবে সবার কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছে।

এ মার্কেটপ্লেসে গিগ এর রেট ৫ ডলার দেখে অনেকে কাজ করতে কম উৎসাহিত হয়। আসলে বিষয়টি ঠিক এরকম না। এ মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অনেকে প্রতিমাসে গড়ে ১৫০০ ডলারের বেশীও আয় করছেন।এখানে বায়ার নয়, বরং ফ্রিল্যান্সাররাই কাজের অফার টিউন করে থাকে এবং বায়ার উক্ত অফার কিনে নেয়। এখানে প্রতিটি অফার বা কাজকে গিগ বলা হয়।

প্রতিটি অফার বা গিগ এর মূল্য মাত্র ৫ ডলার হওয়ায় গিগগুলো দ্রুত সেল হয়ে থাকে। এজন্য দেখা যায়, অনেকেই যারা আপওয়ার্ক,ফ্রিল্যান্সার এ সুবিধা করতে পারছেন না, কিন্তু ফাইভার থেকে ভাল আয় করছেন।

Fiverr পরিচিতি বা ইতিহাস কি ?

ফাইবার একটি অনলাইন মার্কেট প্লেস ফ্রিলেন্সারদের জন্য এটি একটি জনপ্রিয় ফ্রিলেন্সার সাইট । ২০১০ সালে ইসরাইলের একটি কোম্পানি এটি প্রতিষ্ঠা করে। যা বিশ্বব্যাপী কাজ করে ২০১২ সালের মধ্যে তাদের ৩০ লক্ষ সেবা নথিবদ্ধ হয়।

ফাইবার কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা মিকা কাফম্যান এবং শাই উইনারারের দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং ফেব্রুয়ারি ২০১০ সালে এটি চালু করা হয়েছিল। আপনি Fiverr রে ইংরেজি ভাষা, স্পেনীয় ভাষা, ফরাসি ভাষা, ওলন্দাজ ভাষা, এবং পর্তুগিজ ভাষায় কাজ করতে পারবেন।

ফাইভার হল একটা অনলাইন মার্কেটপ্লেস। এখানে সেলার কোন একটি কাজের জন্য গিগ তৈরী করে। ওই গিগটি যদি কোন বায়ারের দরকার হয় তাহলে গিগটা সে কিনবে। এভাবে ফাইভারে গিগ তৈরী করে আয় করা যায়। প্রত্যেক সার্ভিসের মূল্য কমপক্ষে ৫ ডলার। যেহেতু এটি একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস সেহেতু এখানে অনলাইন এবং প্রযুক্তি ভিত্তিক বিভিন্ন সেবা বিক্রি করা হয়।

Fiverr  রে কীভাবে একজন ফ্রিল্যান্সার কাজ করে?

Fiverr হচ্ছে একটি বেচা কেনা করার মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি একটি প্রোডাক্ট বিক্রি করবেন আর একজিন বায়ার সেটি আপনার কাছ থেকে কিনবে। Fiverr রে কাজ করতে হলে আপনাকে যা করতে হবে:-

১.প্রথমে Fiverr এ্যাকাউন্টে সাইন আপ করতে হবে।

২. তারপর আপনার প্রোফাইন সেট আপ করতে হবে।

৩.আপনি যে কাজটি পারেন তারউপর একটি গিগ তৈরি করতে হবে।

৪. আপনার গিগ সেট আপ করতে হবে এবং আমাদের বিশ্বব্যাপী দর্শকদের কাছে আপনার কাজের প্রস্তাব উত্থাপন করতে হবে।

৫.দুর্দান্ত কাজ বিতরণ করতে হবে।

৬. আপনি কোনও অর্ডার পাওয়ার জন্য গ্রাহকদের সাথে বিশদ আলোচনা করতে ভালো সিস্টেম ব্যবহার করতে পারেন।

৭. অর্থ প্রদান করা, সময়মতো বেতন পাওয়া। অর্ডার সম্পূর্ণ হওয়ার পরে আপনার কাছে পেমেন্ট স্থানান্তরিত ।

৮. নিয়মিত নজর দারি, কাজ পেলে যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজ শেষ করে জমা দেওয়া।

Fiverr-এ কাজ করতে হলে আপনাকে যা অবশ্যই করতে হবে:

আপনি যদি Fiverr এ কাজ করতে আগ্রহী হয়ে থাকেন তবে তাদের নিচের বিষয়গুলো জেনে রাখা ভালো।আপনারা যারা ফাইবার এ নতুন তাদের জন্য এই লেখা, Fiverr কাজ করতে প্রথমে ভাল গিগ বানাতে হবে, গিগ বানাতে গিয়ে কি কি করতে হবে,তার বিষয়ে আলোচনা করা হলো:-

১. অনুশীলন করতে হবে: –

আপনি যে কাজটি করতে চান অবশ্যই আপনাকে সেটি ভাল ভাবে জানতে হবে এবং অনুশীলন করতে হবে।

২. গিগ তৈরি করুন:-

আপনি যখন কাজ করার জন্য রেডি তখন আপনি ফাইবার এ গিগ তৈরি করতে শুরু করুন। এটা মনে করার দরকার নেই যে গিগ তৈরি করে রাখি কাজ পেতে টো দেরি আছে। গিগ যেদিন তৈরি করবেন সেদিন ও আপনি কাজ পেতে পারেন তাই ভালভাবে তৈরি হয়ে গিগ বানান।

৩. গিগ সম্পর্কিত ছবি দিতে হবে:

 আপনি যখন গিগ তৈরি করবেন তখন আপনাকে গিগ এ আপনার গিগ সম্পর্কিত ছবি দিতে হবে। সেই ছবি তৈরি করুন। আপনি যদি ডিজাইনার হন তাহলে নিজেই বানাবেন আর আপনি যদি ফাইবার এ ডিজাইন ছাড়া অন্য কোন বিষয় নিয়ে কাজ করেন তাহলে আমি বলবো কোন ডিজাইনার দিয়ে আপনার গিগ এর ছবি ডিজাইন করে নিন। গুগল থেকে ছবি নিয়ে গিগ এ না দিলেই ভাল।

৪. গিগ কাভার ফটো তৈরি:

আপনি আপনার গিগ কাভার ফটো তৈরি করতে পারেন তবে সেটি তৈরি করতে হবে আপনার নিজের কাজ দিয়ে, এখানে অন্য কারো ছবি দিয়ে কাভার বানান উচিত না। কাভার ফটো এর বক্স এ ফাইবার এর একটা ভিডিও আছে সেখান থেকে নিয়ম দেখে নিতে পারেন।

৫. গিগ ডেসক্রিপশন লিখতে হবে:

আপনার গিগ ডেসক্রিপশন লিখতে হবে। এইটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, আপনি যারা অনেক দিন ধরে ফাইবার এ কাজ করছেন তাদের গিগ দেখে ধারনা নিতে পারেন কিন্তু কপি করতে যাবেন না। ধারনা নিয়ে নিজের মত করে লিখতে হবে।

৬. নিজের ভায়ায় লিখুন:

আপনার লেখা যেন ইংরেজি ভায়ায় হয়। এবং আপনার লেখার মান যেন গুনগত মানের হয়ে থাকে। আপনার লেখা ভালো হওয়ার জন্য আপনি Grammerly Software টি ব্যবহার করতে পারেন।

৭.যতোটা সম্ভব নিজের ভাষায় লিখুন:

আপনি যা পারেন, আপনি যতোটুকু দিতে পারবেন ঠিক ততটুকুই লিখুন। মনে রাখবেন আপনাকে কিন্তু কাজ করে প্রমান করতে হবে আপনি কতটুকু পারেন, তাই আপনি লিখলেন অনেক কিছু কিন্তু করতে পারলেন না তাতে আপনার বদনাম হবে। তাই সাবধান থাকবেন।

৮। ট্যাগ, কি–ওয়ার্ড এর দিকে নজর দিবেন:-

ট্যাগ, কি-ওয়ার্ড আর একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বায়ার যখন ফাইবার এ কাজ এর জন্য আসে সে কিন্তু একটা একটা গিগ দেখে না। সে সার্চ বক্স এ সার্চ করে তারপর সেখান থেকে একজনকে কাজ দেয়। তাই আপনাকে চিন্তা করতে হবে বায়ার কি লিখে সার্চ দিতে পারে,

 আর বায়ার যেটা লিখে সার্চ দিবে সেটাকেই কি ওয়ার্ড বলা হচ্ছে। আপনি এখানও অভিজ্ঞদের গিগ থেকে ধারনা নিতে পারেন আর চাইলে কপি ও করতে পারেন। তবে সব গিগ এর ট্যাগ কিন্তু একরকম হয় না তাই আমি বলবো কয়েকটা গিগ একসাথে ওপেন করে সেখান থেকে কমন ট্যাগগুলি ব্যবহার করতে পারেন।

৯. ভিডিও উপস্থাপনা:-

আপনি যদি ভিডিও উপস্থাপনা বানাতে পারেন তাহলে আপনি গিগ এ ভিডিও দিতে পারেন। ফাইবার ই বলে ভিডিও দিলে আপনার গিগ নরমাল গিগ এর থেকে অনেক বেশি সেল হওয়ায় সম্ভাবনা থাকে।

তবে ভিডিও এর কোয়ালিটি ভাল হতে হবে, ভিডিও তে অবশ্যই সাউন্ড থাকতে হবে। আপনি যদি ভাল ভিডিও না তৈরি করতে পারেন তাহলে আমি বলবো খারাপ ভিডিও দেয়ার থেকে না দেয়া অনেক ভাল, গিগ এর ছবিগুলি ভাল করে বানান। তবে আপনি ভালো বায়ার পাবেন।

১০. ট্রাফিক আনতে হবে:-

আপনি যেবিষয়ে লিখছেন, ঠিক সে বিষয়ে কাজ করাতে ইচ্ছুক এমন গিগ এ ভিসিটর নিয়ে আসতে হবে, আপনি যত ভিজিটর আনবেন তত আপনার গিগ সেল হওয়ার সম্ভবনা থাকবে। তাই এটি একটি গুরুত্ব র্পূণ দিক। এদিকে বেশি করে নজর দিতে হবে।

ফাইভার একাউন্ট খুললে যে বিষয় গুলো মেনে চলা দরকার?

ফাইভার একাউন্টে খুললে যে বিষয় গুলো মেনে চলা দরকার:

১) আপনার নামটি সঠিক অথবা নিশ রিলেটেড নাম username হিসেবে ব্যবহার করতে হবে।

২) সিকিউরিটি কশ্চিন এ্যাড করতে হবে।

৩) প্রোফাইল পিকচার হিসেবে সিম্পেল এবং হাসি দেয়া এমন একটি ছবি আপলোড করতে হবে।

৪) নিজের সম্মন্ধে এবং কি সার্ভিস দেওয়া হবে সেটির একটি শর্ট ডিস্ক্রিপ্সন দেওয়া।

৫) সোশ্যাল সাইট এর প্রোফাইল এ্যাড করা।

Fiverr এ্যাকাউন্ট খোলার আগে আপনাকে অবশ্যই এগুলো মেনে চলতে হবে। Fiverr একাউন্টে যে বিষয় গুলো এড়িয়ে চলা দরকার। আপনি যদি Fiverr এ্যাকাউন্ট খুলে থাকেন। তবে আপনাকে যে বিষয়গুলো মেনে চলতে হবে।

১) নিজেকে আমেরিকান বা ব্রিটিশ সেলার বোঝানোর জন্য প্রক্সি ব্যবহার করা। এক্ষেত্রে কোনো দেশ নয় বরং কাজের যোগ্যতাই ঠিক করবে কত টাকা আর্ন করা যাবে।

২) প্রাপ্ত অর্ডার গুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কমপ্লিট করতে না পারা।

৩) ইমেইল আইডি বা সরাসরি কন্টাক্ট করা যাবে এমন কোনো বিষয় শেয়ার করা।

৪) ব্যক্তিগত কোনো ইনফরমেশন দেওয়া যার কারনে একাউন্ট ব্যান্ড হয়ে যাবে।

৫) এমন কোনো গিগ ক্রিয়েট করা যে কাজ পারা যাবে না।

৬) একের অধিক ২টি একাউন্ট ক্রিয়েট করা।

এগুলো Fiverr রে কাজ করার সময় আপনার এড়িয়ে চলতে হবে। কারন আপনার কাজের স্বচ্ছতা যতো বেশি থাকবে। ততো আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

Fiverr সাইটে কোন সময় থাকলে কাজ পাওয়া সম্ভবনা বেশী থাকে?

Fiverr যদি আপনি কাজ করতে চান। তবে আপনি রাতে অনলাইনে থাকলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে। কারণ আমাদের দেশে বেশির ভাগ ক্লায়েন্ট USA এর সুতরাং timezone অনুসারে আমাদের এখানে যখন রাত তখন USA তে দিন, তাই রাতে অনলাইনে থাকলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

তবে দিনে পাওয়া যায় না এমন না, দিন ও অন্যান্য দেশের Client পাওয়া যাবে। সকালে বেশিরভাগ Client Knock করে থাকে যারা অফিসের বাইরে পার্সোনালি কাজ করিয়ে নেয়। সাধারনত মাঝরাত থেকে সকালের দিকে একটিভ থাকলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি ।

অনলাইনে আপনার কাজের জন্য ব্লগ সাইট খুলতে চাইলে আমি আপনাদের কে Namecheap সাইটটা বেছে নিতে বলবো। কারন Namecheap হলো বেষ্ট ডোমেন ও হোষ্টং  পরিসেবা সংস্থা।

Fiverr এ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলবেন?

Fiverr এ্যাকাউন্ট খুলতে হলে আপনাকে যা যা করতে হবে সে বিষয়ে আলোচনা করবো । আমি ধাপে ধাপে বলবো আপনি কিভাবে Fiverr এ্যাকাউন্ট। আসুন এবার দেখে নেওয়া যাক কিভাবে একটা প্রোফেশনাল ফাইবার একাউন্ট করা যায়।

১.প্রথমে www.fiverr.com এ প্রবেশ করতে হবে।

2. www.fiverr.com এ প্রবেশ করার পর নিচের মত একটা পেজ আসবে। পেজের উপরের দিকে দেখেন join লেখা আছে। এখানে ক্লিক করতে হবে।

 ৩.ক্লিক করার পর নিচের মোট একটা পপ-আপ পেজ আসবে। ওই খানে আপনি আপনার যে মেইলটা দিয়ে ফাইবার একাউন্ট করতে চান । সেটা বস্ক এ বসিয়ে দিন এবং Continue বাটনে ক্লিক করতে হবে।

৪.অথবা আপনি আপনার ফেজবুক, টুইটার, গুগল প্লাস দিয়ে ও fiverr এ্যাকাউন্ট করতে পারবেন এই অপশন গুলো ও আপনি পপ আপ বস্ক এর নাইস পাবেন।

৫.Continue বাটনে ক্লিক করার পর নিচের মত আর একটা পপ আপ পেজ আসবে ওখানে আপনি আপনার User Name এবং Passwoed বসিয়ে join বাটনে ক্লিক করুন।

৪.এরপর আপনার ইমেইল এ একটা কনফার্ম মেসেজ যাবে ম্যাসেজটা খুলবেন এবং Active Your Account লেখা আছে দেখবেন সেখানে ক্লিক করুন

৫.আপনার ফাইবারে এ্যাকাউন্টটা একটিভ হয়ে গেছে, এর পর আপনার প্রোফাইল এডিট করতে হবে কারন আপনার প্রোফাইল যদি ভাল না থাকে তা হলে বায়ারের থেকে কাজ পাবার আশা ছেড়ে দিতে পারেন,কারন আপনি যত ভাল কাজ পারেন না কেন বায়ার কিন্তু আগে আপনার কাজ দেখবে তাই আপনারকে অবশ্যই আপনার প্রোফাইলটা প্রফেশনাল মানের করতে হবে.

৬.প্রোফাইল এডিট করার জন্য প্রথমে আপনার User Name এর উপর ক্লিক করুন তারপর Satting এ ক্লিক করার পর Publice Profile Setting এ যান।

৭.তারপর নিচের মত একটা পেজ আসবে ওই খানে আপনি আপনার একটা ফরমাল প্রোফাইল পিকচার দিন, যদি ছবিটা হাসি হাসি মুখের হয় তাহলে সব থেকে ভাল হয়।

৮.তারপর বাকি অপশন গুলো একে এক পূরন করতে হবে তারপর save change ক্লিক করুন।

৯.এর পর আবার আপনার user name এর উপর ক্লিক করুন তারপর satting এ ক্লিক করার পর my profile এ যান। এর পর নিচের মত একটা পেজ আসবে ওখান থাকে edit discription ক্লিক করে আপনি আপনার মত করে লিখুন। বাকি নিচের অপশন গুলা যদি থাকে তাহলে add করুন।

 এর পর সেভ করুন। ব্যাস হয়ে গেল আপনার একটা ফাইবার এ্যাকাউন্ট এখন এটাকে সুন্দর করার দায়িত্ব কিন্তু আপনার,প্রোফাইল যত প্রফেশনাল হবে তত বায়ারের দৃষ্টি পড়বে।

Fiverr সাইটে কি কি ধরনের কাজ পাওয়া যায়?

Fiverr রে সাধারনত অনেক ধরণের কাজ থাকে।তার মধ্যে যে কাজ গুলো বেশী থাকে সেগুলো তুলে ধরলাম। আপনি এগুলোর মধ্যে যেকোন একটি নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন। আপনি এগুলো আয় করছি। তাই আপনাদের সুবিধার জন্য এ কাজ গুলো উল্লেখ করলাম।

1।Video Editing

2।Virtual Assistant

3।Article/content writing

4।SEO optimization

5।Transcription

6।Editing and Proofreading

7।Advertising

8।Palm reading

9।Marketing

10।Programming

11।Web design

12।Song writing

13।Poetry

Fiverr কাজ করার পদক্ষেপসমূহ আলোচনা কর?

1.প্রথমে আপনাকে একটি ফাইভারে এ্যাকাউন্ট করতে হবে।

2.ফাইভারে কখনো ব্যক্তিগত কোনো তথ্য দেয়া যাবেনা।

3.কোনো ওয়ার্কার সরাসরি বায়ারের সাথে যোগাযোগ করুক Fiverr তা কখনই চায়না।

4. Fiverr রের সকল নিয়ম মেনে যেসব কাজে দক্ষ সেসব কাজের উপর আকর্ষনীয় গিগ তৈরী করতে হবে। সঠিক নিয়মে গিগ তৈরী করা থাকলে ফাইভার নিজেই গিগ মার্কটিং করবে।

5. তারপর আপনার ক্যাটাগরি অনুযায়ী বায়ারের কাছ থেকে রিকুয়েষ্ট আসবে এবং তার সঠিক রিপ্লাই দিতে হবে। গিগ পছন্দ হলে বায়ার কাজ দিবে।

6. কাজ এর বিষয় সবকিছু বায়ারের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে।

7. কাজ সম্পূর্ন করে বায়ারের কাছে জমা দিতে হবে। তাহলেই কাঙ্খিত মূল্য পাওয়া যাবে। তারপর আয়ের টাকা ব্যাংক একাউন্টে ট্রান্সফার করতে হবে।

Fiverr বিক্রির এ্যাকাউন্ট কয়টি থাকে?

Fiverr বিক্রির এ্যাকাউন্ট সাধারনত ৩ টি লেভেলে হয়ে থাকে:
লেভেল 1 সেলার:

যেসব সেলার কমপক্ষে ১০ বার বা তার বেশি সার্ভিসটির অর্ডার পেয়ে কাজ শেষ করে বায়ারকে দিতে পারবে এবং বায়ার এর নিকট থেকে ১০ বার ভালো রেটিং পাবে তাহলে ঐ সার্ভিসটির সেলার অটোমেটিক্যালি Level 1 এ চলে আসবে এবং Advanced services অফার করার সুযোগ পাবে এবং আয়ও বৃদ্ধি পাবে।

লেভেল 2 সেলার:

যেসব সেলার পূর্ববর্তী ২ মাসে ৫০ বারের বেশি ভাল রেটিং এবং ট্রাক সহকারে বায়ারকে সার্ভিস দিতে পারবে, সেসব সেলার স্বয়ংক্রিয়ভাবে Level 2 পদ অর্জন করবে। এ লেভেলে অনেক বেশি ফিচার যুক্ত হবে ও প্রায়োরিটি সাপোর্ট পাবে এবং আয়ও বেড়ে যাবে।

টপ রেটেড সেলার:

টপ রেটেড লেভেলের ‍সেলার নির্ধারিত হয় ফাইভার সাইট কতৃপক্ষের বাছাইয়ের মাধ্যমে। ফাইভার সাইট কতৃপক্ষ লেভেল ২ সেলারদের মাঝে থেকে বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে টপ রেটেড সেলার নির্ধারণ করে থাকে।

এভাবে সেলারের কাজ র্নিধারন করা হয়ে থাকে। Fiverr রে আপনি এ সমস্ত লেভেল পার করতে পারলে আপনার আয় যেমন বৃদ্ধি পাবে পাশাপাশি বায়ারের কাছ থেকে অনেক কাজ পেতে থাকবেন।

Fiverr কি কি সার্ভিস বিক্রি করা যায়?

Fiverr আপনি যেমন বিভিন্ন ধরনের কাজ পাবেন।তেমনি আপনার তৈরি করা বিভিন্ন সার্ভিস বিক্রি করতে পারবেন। Fiverr সাধারনত 5 ডলারে প্রোডাক বিক্রি করে থাকে। তাই আপনি চাইলে মাসে এখান থেকে 1000 ডলার আয় করতে পারবেন।

Fiverr সাধারনত যে সার্ভিস বিক্রি করে থাকে তা হলো:-
  • আর্টিকেল বা ব্লগ পোস্ট লিখে বিক্রি
  • প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশন লিখে বিক্রি
  • আর্টিকেল বা ব্লগ পোস্টগুলি এডিট করে বিক্রি
  • রিসুম এবং কভার লেটার লিখে
  • হেডিং লিখে
  • এসইও রিলেটেড সার্ভিস লিখে বিক্রি
  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করে
  • ওয়েব ডিজাইনিং করে
  • লোগো এবং ব্যানার ডিজাইনিং করে বিক্রি
  • ইমেইল লিখে আয়
  • বিজনেস কার্ড ডিজাইনিং করে বিক্রি
  • ক্রিয়েট পিডিএফ ফাইল তৈরি করে বিক্রি
  • কিওয়ার্ড রিসার্চ ইত্যাদি বিক্রি করে আপনারা আয় করতে পারবেন।

Fiverr থেকে টাকা উত্তোলন করবেন কিভাবে?

Fiverr পেমেন্ট মেথড:

ফাইভার প্রতি ৫ ডলারে ১ ডলার চার্জ হিসেবে কেটে নিবে অর্থাৎ ৫ ডলার ইনকাম করলে পাওয়া যাবে ৪ ডলার করে। প্রতিটি কাজ বায়ারের কমপ্লিট ঘোষণা দেয়ার ১৫ দিন পরে টাকা উত্তোলন করা যাবে। ফাইভার থেকে বাংলাদেশে সাধারণত পাইওনিয়ার কার্ড দ্বারা টাকা উঠানো যায়।

পাইওনিয়ার ডেবিটকার্ডের মাধ্যমে ফাইভার থেকে আয় করা অর্থ সরাসরি এটিএম বুথের মাধ্যমে উঠানো যায়। তাছাড়া ফাইভারে সরাসরি ব্যাংকের এ্যাকাউন্ট যুক্ত করে টাকা উত্তোলন আপনার সেলার অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা হওয়ার পর আপনি ৩ ভাবে টাকা উঠাতে পারেন –

1. Fiverr Revenue Card (Payoneer Card)

2. Paypal

3. Bank Transfer.

1. Fiverr Revenue Card:

আপনার Fiverr অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা হওয়ার পর আপনি Fiverr Revenue Card এর জন্য অ্যাপ্লাই করতে পারেন, এটি হল Payoneer এর মাস্টার কার্ড। অথবা আপনার যদি আগে থেকেই Payoneer এ অ্যাকাউন্ট থাকে তবে সেই অ্যাকাউন্টকে Fiverr এ অ্যাড করে নিতে পারেন। যাদের Payoneer অ্যাকাউন্ট নেই, তারা নিচের ঘরে ক্লিক করে ফ্রি Payoneer অ্যাকাউন্ট খুলে নিতে পারেন। Fiverr Revenue Card এর মাধ্যমে ন্যূনতম $20 withdraw করা যায় ।

2. Paypal:

আপনার যদি PayPal অ্যাকাউন্ট থাকে তবে আপনি আপনার Fiverr এর অর্থ সরাসরি আপনার PayPal অ্যাকাউন্টে নিয়ে নিতপারেন। পেপাল অ্যাকাউন্টে প্রথমবার withdraw করার সময় আপনার PayPal অ্যাকাউন্টটি Fiverr এ অ্যাড করে নিতে হবে। যেহেতু বাংলাদেশে PayPal নেই, তাই এই পদ্ধতিতে withdraw করতে হলে আপনার পরিচিত কেউ যে অন্য দেশে থাকে তার PayPal অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারেন।

3. Bank Transfer:

Fiverr এ উপার্জিত অর্থ আপনি চাইলে সরাসরি বাংলাদেশের যে কোনো ব্যাঙ্কে ট্রান্সফার করতে পারেন। Bank Transfer এর জন্য Fiverr প্রতি withdraw তে $3 করে চার্জ কাটে। Bank Transfer এর মাধ্যমে ন্যূনতম $50 withdraw করা যায় । Fiverr এর অর্থ উত্তোলন নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাকে জানাতে পারেন।

Fiverr Gig কি? কিভাবে একটি Gig তৈরি করবেন?

Fiverr এর গিগ সম্পর্কে ধারণা:

Fiverr এ সেলাররা তাদের অফারকে যেভাবে উপস্থাপন করে থাকে তা হলো:

আমি $5 এর বিনিময়ে আপনার কাজটি করে দিব, কাজগুলো হতে পারে SEO, ব্যানার ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, ভিডিও তৈরি করা, ওয়েবসাইটের খুটিঁ নাটি ঠিক করা, আর্টিকেল লেখা, ব্যাকগ্রাউন্ড ভয়েস ইত্যাদি কাজ। আপনার দেওয়া অফারটি যদি কোনো বায়ার পছন্দ করে থাকে তবে তিনি আপনার গিগটি অর্ডার করবে। প্রতিটি $5 গিগের সাথে আপনি চাইলে কিছু এক্সট্রা সার্ভিসও সেল করতে পারবেন।

ধরুন আপনার গিগটি হল SEO ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করার। এখন আপনি বেসিক গিগে $5 এর বিনিময়ে ২০ টি ব্যাকলিঙ্ক সেল করছেন, আপনি গিগ এক্সট্রা তে বললেন, আমি এক্সট্রা $10 এর বিনিময়ে আরো ৫০টি ব্যাকলিঙ্ক দিব। এভাবে একই গিগের মাধ্যমে আপনি অনেক বেশি উপার্জন করতে পারেন।

গিগ অর্ডার করার পর বায়ার আপনাকে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য দিবে, ধরুন SEO গিগের জন্য আপনার বায়ারের ওয়েবসাইট অ্যাড্রেস, কিওয়ার্ড ইত্যাদি দরকার হবে। বায়ার এসব তথ্য প্রদানের সাথে সাথে আপনার অর্ডারটি অ্যাক্টিভ হয়ে যাবে।

প্রতিটি গিগ সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ডেলিভারি করতে হয়, আপনার গিগ তৈরির সময় আপনাকে এই নির্দিষ্ট সময়টি ঠিক করে দিতে হবে, এবং অবশ্যই এই সময়ের মধ্যে আপনার গিগটি ডেলিভারি দেয়ার চেষ্টা করবেন।

 গিগ ডেলিভারি হয়ে গেলে বায়ার আপনার কাজের উপর Feedback দিবে, Feedback Score হল ৫ এর মধ্যে আপনাকে একটা নাম্বার দিবে বায়ার, চেষ্টা করবেন ভালো কাজের মাধ্যমে বায়ারের থেকে 5 Star Feedback নেয়ার। যত বেশি 5 Star Feedback আপনার থাকবে, আপনার সেল বাড়ার সম্ভাবনা তত বেশি হবে।

Fiverr এ কাজের উপর ভিত্তি করে আপনার লেভেল বাড়বে। ফাইভারের সেলারদের ৩টি লেভেল আছে, লেভেল ১, লেভেল ২ এবং টপ রেটেড সেলার। এসব গুলো বিষয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:-

Level 1 Seller:

 আপনি সর্বোচ্চ ১৫টি গিগ তৈরি করতে পারবেন।আপনার গিগটি দ্রুত ডেলিভারি করার জন্য Extra Fast অপশনটি অ্যাড করতে পারবেন এবং এজন্য অতিরিক্ত ডলার অফার করতে পারবেন।৪টি গিগ এক্সট্রা অ্যাড করতে পারবেন প্রতিটি গিগে,

এগুলোর জন্য অতিরিক্ত $5, $10, $20 এবং $40 এর সার্ভিস অফার করতে পারবেন।গিগ মাল্টিপল অপশনটি অ্যাড করতে পারবেন, এক্ষেত্রে বায়ার একবারে আপনার গিগটি ১০বার অর্ডার করতে পারবে চাইলেই।

Level 2 Seller :

Fiverr Level 2 তে আপনাকে ২ মাসের মধ্যে ন্যূনতম ৫০টি অর্ডার সম্পন্ন করতে হবে, একই সাথে ভালো রেটিং রাখতে হবে। Level 2 Seller হওয়ার সাথে সাথে আপনি Fiverr এ Priority Support পাবেন এবং আরো কিছু এক্সট্রা সুবিধা অ্যাড হবে আপনার গিগে: আপনি সর্বোচ্চ ২০টি গিগ তৈরি করতে পারবেন।

৫টি গিগ এক্সট্রা অ্যাড করতে পারবেন প্রতিটি গিগে, এগুলোর জন্য অতিরিক্ত $5, $10, $20, $40 এবং $50 এর সার্ভিস অফার করতে পারবেন। গিগ মাল্টিপল অপশনে বায়ার একবারে আপনার গিগটি সর্বোচ্চ ১৫ বার অর্ডার করতে পারবে চাইলেই।এর সাথে Level 1 এর সব সুবিধা তো থাকছেই।

Fiverr Level 3 –

এখানে আপনার কাজের উপর ভিত্তি করে আপনি Top Rated Sellerও হতে পারবেন। তবে Top Rated Seller হওয়ার জন্য যেই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়া হয় সেগুলো হল:

    Seniority

    Extremely High Rating

    Volume of Sales

    Exceptional Customer Care

    Community Leadership

অর্থাৎ গিগে ভালো করার সাথে সাথে আপনাকে Fiverr এর ফোরামেও অ্যাক্টিভ থাকতে হবে। Top Rated Seller হিসেবে আপনি যেসব এক্সট্রা সুবিধা পাবেন সেগুলো হল:

আপনি সর্বোচ্চ ৩০টি গিগ তৈরি করতে পারবেন। ৬টি গিগ এক্সট্রা অ্যাড করতে পারবেন প্রতিটি গিগে, এগুলোর জন্য অতিরিক্ত $5, $10, $20, $40, $50 এবং $100 এর সার্ভিস অফার করতে পারবেন প্রতিটি গিগের সাথে।গিগ মাল্টিপল অপশনে বায়ার চাইলে একবারে আপনার গিগটি সর্বোচ্চ ২০ বার অর্ডার করতে পারবে।Fiverr থেকে VIP Support পাবেন।

Best Freelancer Site: Fiverr Sign Up

Fiverr গিগ কি?

Fiverr গিগ হল একটা কাজের অফার বা কোন সার্ভিস এর নাম। একটা গিগ বানানোর জন্য এইখানে অফার বা সার্ভিস এর কিছু শর্ত দিতে হবে।

 যেমন: যদি বলা হয় কাজটি একদিনের ভিতর শেষ করা হবে তাহলে তা একদিনের ভিতরই শেষ করতে হবে। এর জন্য প্রোফাইলে ২৪ ঘন্টা বা এক দিনের একটি টাইমার দেখাবে। একটি সার্ভিস সেল করার জন্য সেটির বর্ণনা যে ঘরে সাজানো হয় তাকেই গিগ বলে। প্রাথমিক ভাবে fiverr গিগটির মূল্য $৫ ডলার অফারে বিক্রি করে কাস্টমারের বা বায়ারের কাছে।

Fiverr গিগ কিভাবে তৈরি করবেন?

আপনার Gig পরিষেবা Fiverr এর ভিতর বিক্রি হয়। আপনার Gig তৈরি আপনার প্রতিভা প্রদর্শন এবং ক্রেতাদের তাদের সাথে আপনার ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য সরবরাহ করার সুযোগ তৈরি করে থাকে। একটি গিগ তৈরি করতে

১. প্রথমে আপনাকে Fiverr লগ ইন করতে হবে

২. একটি নতুন GIG তৈরি জন্য ক্লিক করুন

৩. তারপরে দেখবেন বিক্রয়> Gigs ক্লিক করতে হবে

(মনে রাখবেন এটি আপনার প্রথমবার গিগ তৈরি করার সময়) বিক্রয়> বিক্রয় শুরু করুন, আপনার বিক্রেতার প্রোফাইলটি পূরণ করুন এবং তারপরে আপনার গিগ তৈরিতে এগিয়ে যান।)

৪. সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিতে হবে

GIG শিরোনাম ক্ষেত্রে আপনার লেখা অল্প হতে হবে, কমপক্ষে 80 অক্ষর পর্যন্ত একটি শিরোনাম লিখতে হবে। আপনার শিরোনাম সংক্ষিপ্ত, পরিষ্কার, এবং বিন্দু হতে হবে। CATEGORY ড্রপ-ডাউন মেনুতে, আপনার গিগের জন্য যথাযথ বিভাগ এবং তারপরে উপবিভাগটিনির্বাচন করতে হবে। এগিয়ে যান।

৫: সুযোগ এবং মূল্য

আপনার প্যাকেজ এলাকার নামের মধ্যে, আপনি যে পরিষেবাটি সরবরাহ করছেন তার সংক্ষিপ্ত শিরোনাম এখানে সুন্দরভাবে লিখতে হবে। দেওয়া এলাকায় আপনার নৈবেদ্য বিবরণ বর্ণনা করতে হবে।ডেলিভারি সময় ড্রপ ডাউন মেনুতে, আপনার Gig সম্পূর্ণ করার জন্য কতদিন লাগবে তা নির্বাচন করুন।

আপনি আপনার পরিষেবা অন্তর্ভুক্ত করতে চান বিভিন্ন আইটেম নির্বাচন করুন। এটি আপনি যে পরিষেবাটি সরবরাহ করছেন তার উপর নির্ভর করে। পুনর্বিবেচনার ড্রপ ডাউন মেনুতে, আপনি আপনার Gig এ অন্তর্ভুক্ত সংশোধনগুলির পরিমাণ নির্বাচন করুন। মূল্য ড্রপ ডাউন মেনুতে, আপনার পরিষেবার জন্য একটি মূল্য নির্বাচন করুন ($ 5 থেকে $ 995 পর্যন্ত)।

৬: বর্ণনা এবং প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

বর্ণনা এর বিষয়ে বলতে গেলে, আপনার গিগ সংক্ষেপে বর্ণনা করুন (1২00 অক্ষর পর্যন্ত লিখতে পারেন)। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিস্তারিত হিসাবে ক্রেতাদের তাদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে বুঝাতে হবে।

আপনি যা করতে পারবেন:-

 যদি আপনি এখানে কোন একটি URL যোগ করতে চান, তবে অনুমোদিত তালিকা থেকে শুধুমাত্র URL অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী এলাকায়, FAQ যোগ করুন ক্লিক করুন। এখানে আপনি সবচেয়ে সাধারণ প্রশ্নগুলির উত্তর যোগ করতে পারেন। আপনার FAQ গুলি আপনার Gig পৃষ্ঠায় প্রদর্শিত হবে।

ক্রেতাদের জিজ্ঞাসা করতে পারে এমন একটি প্রশ্ন যোগ করুন, এবং তারপরে আপনার উত্তর লিখুন। যোগ ক্লিক করুন। আপনার FAQ গুলি যোগ করার সময় সংরক্ষণ করুন এবং চালিয়ে যান টিপুন।

৭. আবশ্যকতা:-

আপনার অর্ডারটি শুরু করার জন্য আপনার ক্রেতাকে বলুন। আপনি আপনার ক্রেতা হিসাবে বিনামূল্যে পাঠ্য, বহুবিধ পছন্দ প্রশ্ন, বা একটি ফাইল আপলোড হিসাবে নির্দেশাবলী সংজ্ঞায়িত করতে পারেন।

৮.গ্যালারি ছবি যুক্ত করতে হবে:

Gig ফটো এলাকায়, একটি চিত্র টেনে আনুন বা ব্রাউজ ক্লিক করুন এবং একটি চিত্র নির্বাচন করুন।আপনার গিগ বর্ণনা বা সম্পর্কিত যে ছবি আপলোড করুন। আপনি তিনটি ছবি আপলোড করতে পারেন। কেবল Fiverr তে অফার করা আছে।

– একবার আপনি একটি ভিডিও যুক্ত করলে, এটি বাজারে থাম্বনেইল (আপনার আপলোড করা ফটোগুলির জায়গায়) ব্যবহার করা হবে। জিগ অডিও এলাকায়, একটি অডিও ফাইল টেনে আনুন বা ব্রাউজ ক্লিক করুন এবং একটি ফাইল নির্বাচন করুন।

৯. প্রকাশ করুন:

প্রকাশনা এবং আপনার গিগা প্রচারণা Gig প্রকাশ করুন ক্লিক করুন। আপনি বিভিন্ন GGG.re কে প্রচার করতে পারেন এমন বিভিন্ন সামাজিক নেটওয়ার্ক দেখতে পাবেন। আপনার GIG উন্নীত করা, শুধু একটি আইকনে ক্লিক করুন এবং বিস্তারিত পূরণ করুন। এখানে ক্লিক করে সম্পন্ন করুন।

দ্রষ্টব্য: আপনার জিগ একটি ভিডিও ধারণ করে, আপনার গিগাবাইট ভিডিও পর্যালোচনা না হওয়া পর্যন্ত তার অবস্থা মুলতুবি থাকবে। যদি আপনার GIG একটি ভিডিও ধারণ করে না তবে এটি সক্রিয় লেবেলযুক্ত হবে। এভাবে আপনার একটি গিগ এর কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকে।

কিভাবে Fiverr Gig সাজালে অর্ডার পাওয়া বিক্রির সম্ভবনা বেশি থাকে?

যে ধরনের গিগ তুলনামূলক বেশি সেল হয় ফাইভারে:

  • অনলাইন মার্কেটিং
  • ভিডিও এবং এনিমেশন ক্রিয়েটিং
  • ভয়েস নেয়ারেশন
  • প্রফেশনাল আর্টিকেল রাইটার
  • ইমেজ স্ক্রেচ
  • লোগো ডিজাইন
  • বিজনেস কার্ড ডিজাইনিং
  • প্রোগ্রামিং ইত্যাদি।

কিভাবে গিগ সাজালে অর্ডার পাওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকবে বলে মনে হয়:

টাইটেল লিখতে হবে:

একজন বায়ার এর নজরে সর্ব প্রথম যে বিষয়টি আসে তাহলো গিগ এর টাইটেল। বায়ার যেহেতু টাইটেল এর উপর দৃষ্টি রাখেন, তাই টাইটেল এ যথাসম্ভব গিগ এর কিওয়ার্ডগুলো লেখার চেষ্ট করা। তাহলে বায়ার সহজে গিগটি বুঝতে পারবেন।

ছবি দিতে হবে : গিগে অফার রিলেটেড সুন্দর একটি ছবি আপলোড করতে হবে যা গিগটিকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলবে ।

ড্রেস্ক্রিপশন ভালো হতে হবে: ড্রেস্ক্রিপশনটি সুন্দর করে লিখতে হবে। ডেস্ক্রিপশনটি শর্ট হবে কিন্তু তার মধ্যেই অফারটি সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলতে হবে। তাহলে বায়ার সার্ভিসটি কেনার ব্যপারে বেশি প্রাধান্য দিবেন।

ফাইভারে আকর্ষণীয় গিগ তৈরির ক্ষেত্রে কিকি বিষয় অনুসারন করা দরকার:

একটি গিগ তৈরির সময় যে শর্ত দেয়া হয় সেই অনুসারে কাজ সম্পন্ন করতে হবে। গিগ তৈরীর ক্ষেত্রে নিম্নোলিখিত বিষয় গুলি অনুসরন করতেহয় তার বিষয়ে বলা হলো:

) গিগ টাইটেল:

সুন্দর একটি গিগ টাইটেল থাকলেই অফারটি বায়ারদের নিকট বেশি গ্রহণযোগ্য হবে। কোনো ধরনের সার্ভিস দেয়া হবে তা গিগ টাইটেল উল্লেখ করা হয়। গিগের টাইটেলটি আকর্ষণীয় করতে হবে যাতে যে কেউ টাইটেলটা দেখেই ভিতরে গিয়ে পড়তে আকর্ষণবোধ করে।

) ক্যাটাগরি:

গিগের ওপর ভিত্তি করেই ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে হবে। ক্যাটাগরি অবশ্যই গিগের সঙ্গে মিল থাকতে হবে। ক্যাটাগরি দেয়া হলে সাব-ক্যাটাগরিনির্বাচন করতে হবে।

) গিগ গ্যালারি:

গিগ গ্যালারিতে সার্ভিস সম্পর্কিত ছবি আপলোড করতে হবে। ছবি বা ইমেজ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন কাউকে হঠাৎ করে দৃষ্টি আকর্ষণ করানো যায়, এরকম কিছু ব্যবহার করা যেতে পারে।

)গিগ ডেসক্রিপশন:

গিগ ডেসক্রিপশন এ সার্ভিস সম্বন্ধে বিস্তারিত লিখতে হবে যাতে বায়ার এখান থেকে সার্ভিস সম্বন্ধে যথেষ্ট ধারণা পায় এবং আকৃষ্ট হয়।

) ট্যাগস:

সার্ভিস রিলেটেড কিওয়ার্ড ট্যাগে ব্যবহার করতে হবে। গিগটি যে ধরনের কাজের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে সে ধরনের কাজের উপর ৫টি কিওয়ার্ড নির্ধারণ করতে হবে এবং সর্বোনিম্ন ৩টি কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। কিওয়ার্ড রিসার্চ করে ট্যাগ ব্যবহার করলে ভালো হয়। এর ফলে ক্লাইন্ট গিগটি সহজে খুঁজে পাবে এবং অর্ডার পাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে।

) ডিউরেশান:

যে সার্ভিসের উপর গিগ তৈরি করা হয়েছে প্রথমে তা চিন্তা করতে হবে যে এই সার্ভিসটি সম্পন্ন করতে কতটুকু সময় লাগবে বা অন্যরা একই সার্ভিস কতটুকু সময়ের মধ্যে ডেলিভারি দিচ্ছে। ডিউরেশান ১ থেকে ২৯ দিন পর্যন্ত দেয়া যায়। ফাইভারে সাধারণত ডিউরেশান ১ থেকে ২ দিন দেয়া হয় ।

) ইন্সট্রাকশান ফর বায়ার:

বায়ার কতৃক সার্ভিসটি নিতে হলে কি কি শর্ত পূরণ করতে হবে এই অপশনে এগুলো উল্লেখ করতে হবে। এখানে কাজ করার জন্য বায়ারের কাছ থেকে কি কি দরকার হবে তা উল্লেখ করতে হবে।

) গিগ ভিডিও:

গিগে ভিডিও যুক্ত করলে সেটি সেল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। ভিডিও অবশ্যই গিগের উপর ভিত্তি করতে হতে হবে। ভিডিও অবশ্যই ১ মিনিট বা তার কম হতে হবে। ভিডিও এর কোয়ালিটি ভাল হতে হবে এবং ভিডিও তে অবশ্যই সাউন্ড থাকতে হবে।

Follow-up, Nudge & New Label কিভাবে গিগের সেল বাড়াতে পারেন?

আজকে Follow-up, Nudge আর New Label ব্যবহার করে কিভাবে গিগের সেল বাড়াতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা করব।

Follow-up:

যে কোনো বায়ার এর কনভার্সেশনকে Follow up এ রেখে দিতে পারেন, বিশেষ করে সেসব বায়ার যাদের থেকে ভবিষ্যতে আবারো অর্ডার পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। অর্ডার কম্প্লিট হয়ে যাওযার অনেক পরে বায়ারকে আবার মেসেজ দিতে পারেন, যাকে বলে Follow Up মেসেজ, এভাবে সেলস বাড়ানো যায়।

Nudge:

যখন কোনো বায়ার গিগ অর্ডারের পর ডিটেইলস দিতে ভুলে যায়, তখন তাকে nudge করলে তার কাছে একটা মেসেজ যায় যে আপনি তার information এর জন্য অপেক্ষা করছেন।

New Label:

যে কোনো বায়ারের সাথে কনভার্সেশনকে একটা নতুন নাম দিয়ে সেইভ করে রাখতে পারেন, এটাই New Label. পরে এই লেবেল দেখে দেখে বায়ারদেরকে মেসেজ করতে পারেন।উপরের সবগুলো অপশন ব্যবহার করে গিগের সেল অনেক বৃদ্ধি করতে পারেন। আপনি যদি কাজটি চালিতে চান গিগকে সার্চের ফলাফলের

প্রথমে রাখতে করনীয়:

ফাইভারে কাজ পেতে হলে গিগকে সার্চের ফলাফলের প্রথমে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে প্রথমেই গিগ অপ্টিমাইজ, গিগ পপুলারিটি অর্জন ও গিগ রিভিউ বৃদ্ধির জন্য কাজ করতে হবে। কোন বায়ারের যখন কোন সার্ভিস দরকার হয়, তখন ফাইভারে গিয়ে সার্চ করে। তখন সার্চের প্রথম গিগটিকে পাওয়া গেলে বিক্রির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

গিগ অপ্টিমাইজ:

 গিগের টাইটেলটি আকর্ষণীয় হতে হবে এবং টাইটেলে অবশ্যই সার্চের সম্ভাব্য কীওয়ার্ড থাকতে হবে। ট্যাগের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য রিলেটেড কীওয়ার্ডগুলো ব্যবহার করতে হবে। নতুন কেউ দেখলে আকৃষ্ট হবে এমন ছবি ব্যবহার করতে হবে। আবার ফাইভারের নিয়ম মেনে ভিডিও তৈরি করলে গিগ বিক্রির সম্ভাবনা ৬০% বেড়ে যায়।

গিগ পপুলারিটি অর্জন:

প্রচুর মানুষকে গিগটি পড়াতে পারলেই গিগের পপুলারিটি অর্জিত হয়। প্রচুর মানুষকে গিগটির লিংকে ক্লিক করানোর জন্য জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলোতে যেমন: ফেসবুক, টুইটার, লিংকডিন, রেডিট ইত্যাদিতে শেয়ার করতে হবে।

গিগ রিভিউ বৃদ্ধি:

পপুলারিটি অর্জনের পর গিগ অনুযায়ী কাজ করে এবং সময়মত কাজ ডেলিভারি দিয়ে বায়ারের কাছ থেকে ভাল ফিডব্যাক সংগ্রহ করতে হবে। যতবেশি ভাল ফিডব্যাক, ততবেশি গিগ সার্চের উপরে উঠতে থাকবে।

ফাইভার গিগ মার্কেটিং:

শুধু এসইও করে থেমে থাকলেই হবে না, গিগ এর জন্য আলাদা ভাবে মার্কেটিংও করতে হবে। এছাড়া প্রথম দিকে বিক্রয় করা অনেকটা কষ্টকর হবে।তারপর আস্তে আস্তে দেখবেন আপনার সাইটের সুনাম বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার আয় হা্ওয়া শুরু হয়ে যাবে।

) ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে মার্কেটিং:

প্রফেশনালভাবে গিগ মার্কেটিং করতে হলে একটি ওয়েবসাইট থাকা প্রয়োজন। কারণ একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিজের সম্পর্কে সহজেই সবকিছু তুলে ধরা যায়। এবং আপনার ভালো গিগগুলো এখানে উপস্থাপনা করে তা মার্কেটিং করতে পারেন।

) সোস্যাল মিডিয়া এর মাধ্যমে মার্কেটিং:

গিগ মার্কেটিং এর জন্য একটি অন্যতম মাধ্যম সোস্যাল মিডিয়া। এখানে সকল ধরণের প্রোফেশনাল ব্যক্তিদের পাওয়া যায়। এই সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে টার্গেটেড কানেকশন বৃদ্ধি করতে হবে। তারপর নিয়মিত সার্ভিস সম্পর্কিত বিভিন্ন পোষ্ট করতে হবে। এর মাধ্যমেও আপনি আপনার কাজ সুন্দর করে করতে পারেন।

Fiverr Gig Optimization করবেন কিভাবে?

আপনার Fiverr এ যে কোনো গিগ পাবলিশের পর সবচেয়ে দরকারি হল গিগ অপ্টিমাইজেশন করা। অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট Search term এর জন্য আপনার গিগটিকে সার্চ রেজাল্টে উপরের দিকে নিয়ে আসা।

 ধরুন আপনার গিগের মাধ্যমে আপনি লোগো ডিজাইনের সার্ভিস সেল করবেন। কোনো বায়ার যখন Logo Design লিখে Fiverrএ সার্চ দিবে, তখন আপনার গিগটি যদি সার্চ রেজাল্টে প্রথমদিকে না থাকে তবে কাঙ্খিত সেল পাবেন না। আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, গিগে প্রচুর ভিজিটর থাকা সত্ত্বেও অর্ডার আসছে না। এ সব দিকে বিবেচনা করে কাজ করতে হবে।

Fiverr Best Freelancer Site : Sign up Now

গিগের কনভার্সন বৃদ্ধি অপ্টিমাইজেশনের জন্য আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে কিছু টিপস

. Research:

যে কোনো গিগ পাবলিশের আগে পর্যাপ্ত পরিমানে রিসার্চ করে নিন। আপনি যেই সার্ভিসটি অফার করবেন,সেটার জন্য বায়াররা কোন Keyword লিখে সার্চ দিতে পারে তার একটা লিষ্ট করে ফেলুন। এবার এই Keyword গুলো লিখে Fiverr এ সার্চ দিন, গিগগুলো দেখুন।

একজন বায়ার এর দৃষ্টিতে বোঝার চেষ্টা করুন কোন গিগগুলো আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। সেই গিগগুলোর টাইটেল, বর্ণনা, ছবি সবকিছু ভালো করে খেয়াল করুন। এবার আপনার গিগে তার প্রতিফলন ফেলুন, গিগ থেকে আইডিয়া নিন, কিন্তু কখনোই কপি পেষ্ট করবেন না, অন্যের গিগ কপি করে ধরা খেলে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যান হয়ে যেতে পারে।

. Gig Title:

গিগ টাইটেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ হাজার হাজার গিগের মাঝে আপনার গিগটির উপর বায়ারের প্রাথমিক আগ্রহ তৈরি করার কাজটি করবে এই টাইটেল। তাই টাইটেলটি হতে হবে আকর্ষণীয় এবং এতে থাকবে আপনার পুরো গিগের প্রতিফলন।

টাইটেলে অবশ্যই আপনার মেইন Keyword টি রাখুন। টাইটেলে যেহেতু মাত্র ৮০ অক্ষর ব্যবহার করা যায়, তাই কোনো Keyword দুইবার ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। টাইটেলটিকে হতে হবে একই সাথে সুন্দর, আকর্ষণীয়, আগ্রহ সৃষ্টিকারী এবং অর্থবহ।

. Gig Category & Sub-category:

আপনার গিগের ক্যাটাগরী ও সাব-ক্যাটাগরী নির্বাচনে সতর্কতা অবলম্বন করুন। গিগটি কোন ক্যাটাগরীতে পড়বে যদি বুঝতে সমস্যা হয় তবে আবার রিসার্চে ফিরে যান। আপনার মূল Keyword টি লিকে সার্চ দিন, দেখুন আপনার সার্ভিসটির মত গিগগুলো কোন ক্যাটাগরীতে দেখাচ্ছে, সেটা নির্বাচন করুন।

যদি একই গিগের জন্য ২টা ক্যাটাগরী নির্বাচন করার মত হয় তবে সেক্ষেত্রে ২টা ভিন্ন গিগ তৈরি করুন এবং ২টা কে ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরীতে পাবলিশ করুন। এক্ষেত্রে ২টা গিগের টাইটেল, বর্ণনা সবকিছু যেন ভিন্ন ভিন্ন হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন।

. Gig Gallery:

গিগ গ্যালারীতে এমন কিছু অ্যাড করবেন যা দেখে বায়ার এক নিমেষেই আপনার গিগের বিস্তারিত পড়ার জন্য আগ্রহী হয়ে উঠবে। এক্ষেত্রে নেট থেকে কোনো ছবি নিয়ে পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন। এমন কিছু দিন যা আপনার নিজের গিগকে রিপ্রেজেন্ট করে।

যারা SEO এর কাজ করেন তারা নেট থেকে র‌য়্যালটি ফ্রি ছবি নামিয়ে প্রয়োজনীয় এডিটিং করে ব্যবহার করতে পারেন। ছবি অবশ্যই JPEG ফর্মেটে হতে হবে এবং রেজুলেশন হবে 682 pixel X 459 pixel । মনে রাখবেন, এই ছবিটিই আপনার গিগকে সার্চ রেজাল্টে অন্য গিগগুলোর থেকে আলাদা করতে সাহায্য করবে।

. Description:

এখানে বিস্তারিতভাবে আপনার গিগটিকে তুলে ধরুন। প্রয়োজনীয় পয়েন্ট, নাম্বারিং ইত্যাদির সাহায্যে বর্ণনাকে অকর্ষণীয় করে তুলুন। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনো কথা লেখা থেকে বিরত থাকুন।

মনে রাখবেন, বায়ার আপনার গিগ description পড়ার জন্য মাত্র ৫ সেকেন্ড সময় ব্যয় করবে, এই ৫ সেকেন্ডের মধ্যেই বায়ারকে আপনার গিগের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে। 

. Tags:

খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, আপনার গিগের সাথে সামন্জস্যপূর্ণ Tag ব্যবহার করুন। যেহেতু আপনি মাত্র ৫টি Tag ব্যবহার করতে পারবেন, তাই আপনার গিগকে রিপ্রেজেন্ট করে এমন best ৫টি tag ব্যবহার করুন।

. Video:

অনেকেই গিগে ভিডিও ব্যবহার করেন না, মনে রাখবেন ভিডিও ব্যবহার করলে আপনার গিগের বিক্রির সম্ভাবনা ২০০% বেড়ে যায়। গিগের ভিডিও তৈরির ক্ষেত্রে নিচের টিপসগুলো ফলো করতে পারেন :

  • ভিডিও অবশ্যই ১ মিনিটের মধ্যে হতে হবে।
  • ভিডিওতে আপনি নিজে আপনার গিগটিকে বর্ণনা করুন, এক্ষেত্রে বায়ারের আস্থা বাড়বে আপনার উপর।
  • ভিডিওটিকে আকর্ষণীয় দেখানোর জন্য পর্যাপ্ত আলোর মধ্যে ভিডিও ধারণ করুন।
  • মুখের বাচনভঙ্গির সাথে যেন শব্দ মিলে, অনেকই শব্দ পরে অ্যাড করেন এবং ভিডিওর সাথে শব্দ মিলে না যেটা খারাপ দেখায়, এটা করা থেকে বিরত থাকুন।
  • ভিডিওতে অনর্থক কিছু না বলে স্পষ্ট করে কথা বলুন।
  • ভিডিও তৈরির ক্ষেত্রে ভালো ক্যামেরা এবং মাইক্রোফোন ব্যবহার করুন যাতে ছবি এবং শব্দ ষ্পষ্ট হয়।
  •  “Exclusively on Fiverr” এই কথাটা অবশ্যই গিগে থাকতে হবে। এই কথাটি ভিডিওতে বলে, লিখে অথবা ছবির মাধ্যমে দিতে পারেন।

. Profile:

আপনার প্রোফাইল শতভাগ সম্পন্ন করুন। প্রোফাইল পিকচারে অবশ্যই নিজের ফটো ব্যবহার করুন, এটা বায়ারের কাছে আপনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে। অনেক বায়ার আছে কার সাথে কাজ করছে সেটা নিশ্চিত হয়ে অর্ডার করার চেষ্টা করে।

উপরের সবগুলো টিপস মেনে নিয়ে গিগ তৈরি করুন, আশা করি খুব তাড়াতাড়ি অনেক বেশি অর্ডার পাবেন। Fiverr এ আপনার গিগ ভালো সেল হোক এই কামনা করি। আজকের আলোচনার উপর কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে করতে পারেন।

Fiverr Best Freelancer Site: Sign up Now

Fiveer গিগের Impressions,Views এবং Clicks এর দ্বারা কি বোঝায়?

Fiverr এ My Gigs এ গেলে দেখবেন আপনার গিগগুলার কিছু অ্যানালাইটিক ডাটা দেখাবে, যার মধ্যে থাকে Impressions, Clicks, Views,Orders, Cancellations । একটা গিগের জন্য এই ডাটাগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই ডাটাগুলো মূলত শেষ ৩০ দিনে আপনার গিগের ডাটা, এগুলোরেগুলারলি অটো আপডেট হয়।

Impressions :

কেউ যখন Fiverr এ কোনো গিগ খোঁজার জন্য সার্চ দেয় তখন আপনার গিগটি সেই সার্চ রেজাল্টে কতবার দেখিয়েছে সেটাই হল Impression.এখানে যেই সংখ্যাটা দেখানো হয় সেটা হল শেষ ৩০ দিনে সার্চ রেজাল্টে আপনার গিগটিকে কয়বার দেখানো হয়েছে।

আপনার গিগের ইম্প্রেশন বেশি হলে বুঝবেন যে সার্চ রেজাল্টে আপনার গিগটি বারবার দেখানো হচ্ছে। স্বাভাবিক ভাবেই বোঝা যায় যে আপনার গিগ যদি কোনো ভালো কিওয়ার্ডের জন্য সার্চ রেজাল্টে প্রথমে থাকে তাহলে গিগের Impressions বেশি হবে। আপনার গিগ যদি ফিচার করা হয় বা ক্যাটাগরির হোমপেইজে দেখানো হয় তাহলে সেইগুলোও Impressions হিসেবে কাউন্ট করা হবে।

Clicks :

আপনার গিগটি সার্চ রেজাল্টে দেখার পর সেই রেজাল্টে কতজন ক্লিক করছে সেটা হল clicks. কোনো বায়ার আপনার গিগে ক্লিক করার মানে হল সে আপনার গিগটি কিনতে আগ্রহী। তাই clicks খুব ইম্পোর্ট্যান্ট। Click যত বেশি হবে, আপনার গিগ সেল হওয়ার সম্ভাবনা তত বাড়বে।

আমাকে মাঝে মাঝে অনেকেই প্রশ্ন করে, গিগের Impressions অনেক, কিন্তু clicks নেই, কি করব। এটার মানে হল, সার্চ রেজাল্টে আপনার গিগটা দেখার পর বায়ার আর ক্লিক করছে না, কারণ আপনার গিগের টাইটেল এবং পোর্টফোলিও ইমেজটি দেখে বায়ার ক্লিক করার আগ্রহ পাচ্ছে না।

এক্ষেত্রে আপনার গিগের টাইটেল এবং পোর্টফোলিও ইমেজটিকে বদল করেন, আপনার গিগ রিলেটেড গিগ যাদের আছে, সেগুলো থেকে ধারণা নিতে পারেন, কিন্তু কখনোই কপি পেষ্ট করবেন না।

Views :

একটা গিগে অনেকগুলো পেইজ থাকে, যেমন Overview, Compare Packages, Descriptions, Reviews । বায়ার গিগ কেনার আগে এই পেইজগুলো দেখবে এটাই স্বাভাবিক। একজন বায়ার আপনার গিগে ক্লিক করার পর গিগের কয়টা পেইজ দেখলো সেটা হল Views। এখানে শেষ ৩০ দিনে আপনার গিগের কয়টা পেইজ ক্লায়েন্টরা দেখেছে সেটা দেখায়।

Orders:

আপনার গিগটি শেষ ৩০ দিনে কয়টা সেল হয়েছে এটা এখানে দেখায়। গিগের Impressions, Clicks আর Views যত বেশি হয় গিগ সেল হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি থাকে।

Cancellations:

অনেক সময় বিভিন্ন কারনে আপনার অর্ডার Cancel হতে পারে। আপনার গিগ শেষ ৩০ দিনে যতগুলো অর্ডার পেয়েছে তার কত শতাংশ Cancel হয়েছে সেটা এখানে দেখায়। আপনার গিগের Cancellations যত কম হবে ততই ভালো। এখানে মোটামোটিভাবে Impressions, Clicks, Views, Order আর Cancellations বিষয়ে ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনাদের বুঝতে কোন প্রকার অসুবিধা হয় নি।

Fiverr কাজ করার সুবিধা অসুবিধা গুলো কি কি?

Fiverr কাজ করার সুবিধাগুলো কি কি?

ফাইভারে আপনি দেখবেন কিছু এমন সুবিধা আছে যা অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে পাবেন না।  কারন আপনি এখানে অল্প পরিশ্রম করে আয় করতে পারেন অনেক ডলার। ফাইভারের সুবিধা সমূহ নিম্নে আলোচনা করা হলো:

১) ফাইভার মার্কেটপ্লেসে যারা নতুন তাদের কাজ করা উচিত। কারণ এখানে নতুনরা খুব সহজেই কাজ পাবেন।

৩)  আপনি যদি ফাইভারে ১০টি গিগ সেল করতে পারেন। এবং ফিডব্যাক হয় এবং একাউন্ট যদি ১ মাস একটিভ থাকে। তাহলে লেভেল ১ এ যাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে ফাইভার কতৃপক্ষ একাউন্ট এ একটি লেভেল ১ এর ব্যাচ দিবে। যা আপনার কাজের জন্য ভালো দিক হতে পারে।

৪) ভাল কিওয়ার্ড দিয়ে গিগ তৈরি করতে পারলে দিনে অনেক ডলার আয় করা যায়।

৫) আপনি এখানে ক্রিয়েটিভ কিছু কাজ পাওয়া পাবেন, যা অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে পাওয়া যায় না।

৬) ফাইভারে দিনে অল্প সময় দিতে পারলেই চলবে। সারাদিন ফাইভারে থাকার দরকার নেই।

 Fiverr কাজ করার অসুবিধাগুলো কি কি?

ফাইভারে কাজ করার কিছু অসুবিধা ও আছে। সে বিষয়ে আলোচনা করা হলো:-

১) ফাইভারে এত গিগের ভিতর গ্রাহক কিভাবে আমার গিগ খুঁজে পাবে, এজন্য একটু আলাদা মার্কেটিং করতে হবে।

২) ফাইভারে কাজ করতে হলে আপনাকে অনেক ধৈর্য ধরে কাজ করতে হবে। কারণ প্রথম দিকে গিগ খুব কম সেল হবে।

৩) ফাইভার মার্কেটপ্লেস এর সবচেয়ে বড় ধরনের সমস্যা হচ্ছে এটি একটি খুবই সেনসেটিভ মার্কেটপ্লেস। খুব অল্প সমস্যার কারনে এরা একাউন্টটি যে কোন মুহুর্তে ডিলিট করে দিতে পারে তবে একাউন্ট এ কোন ব্যালেন্স থাকলে এরা সেটা ৪৫ দিন পর ফেরত দিয়ে দিবে।

তাহলে এখানে কাজ করতে হলে আপনাকে খুব সাবধানে কাজ করতে হবে। যেন আপনার সুনাম থাকে।

Fiverr এর কিছু গুরুত্বর্পূণ নিয়ম কানুন, না মানলে সাসপেন্ড হতে পারেন

ফাইভার হল একটা অনলাইন মার্কেটপ্লেস। এখানে সেলার কোন একটি কাজের জন্য গিগ তৈরী করে। ওই গিগটি যদি কোন বায়ারের দরকার হয় তাহলে গিগটা সে কিনবে। এভাবে ফাইভারে গিগ তৈরী করে আয় করা যায়। ফাইভার হলো একটি ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস।

 এখানে সার্ভিসেস কিনা বেচা হয়। প্রত্যেক সার্ভিসের মূল্য কমপক্ষে ৫ ডলার। যেহেতু এটি একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস সেহেতু এখানে অনলাইন এবং প্রযুক্তি ভিত্তিক বিভিন্ন সেবা বিক্রি করা হয়।

অর্ডার ক্যান্সেলেশন এড়ানোর কিছু টিপস:

১.আপনি গিগের ডেলিভারিতে কি কি দিবেন সেটার একটা সুষ্পষ্ট ধারণা আপনার গিগের ডিস্ক্রিপশনে উল্লেখ করতে হবে।

২.বায়ারকে বিভিন্ন বোনাস দিতে পারেন কারন বোনাস পেতে সবাই পছন্দ করে। আপনার গিগ অনুযায়ী আপনি নির্ধারণ করতে পারেন আপনি কি বোনাস দিবেন।

৩.কোনো কারণে বায়ার সন্তুষ্ট না হলে রিভিশন দিয়ে তা ঠিক করে দেয়ার চেষ্টা করতে হবে।

৪.বায়ারের অন্যায় আবেদনকে কখনো গ্রহন করবেন না, প্রয়োজন হলে সাপোর্টে যোগাযোগ করতে হবে।

৫.সাপোর্টে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অল্প কথায় গুছিয়ে আপনার অভিযোগ করতে হবে, প্রমান হিসেবে স্ক্রিণশট দিবেন অবশ্যই। স্ক্রিণশটের ইম্পরট্যান্ট জায়গাগুলো মার্ক করে দিবেন।

৬.গিগে যা প্রমিজ করবেন এক্সেক্টলি সেটা বা তার থেকে বেশি দেয়ার চেষ্টা করবেন।

৭.নতুন বায়ারের সাথে কাজ করার আগে তার সাথে কথা বলে কনফার্ম হয়ে নিন আসলে তিনি কি চাচ্ছেন।

৮.আপনি এ মোতাবেক কাজ করলে আমার বিশ্বাস আপনার কোন সমস্যা হবে না Fiverr রে কাজ করতে। কারন Fiverr একটি ভালো মার্কেটপ্লেস। তা্ই আপনি যদি Fiverr রে কাজ করতে চান, আপনাকে কিছু গুরুত্বর্পূণ নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়। না মানলে আপনি সাসপেন্ড হতে পারেন।

একাউন্ট সম্পর্কে :

১) ১টা IP বা কম্পিউটার / ল্যাপটপ দিয়ে একটা এ্যাকাউন্ট করা যাবে।একাধিক এ্যাকাউন্ট ব্যবহার করলে সবগুলোই ব্যান হওয়ার সম্ভাবনা আছে!

২.) WIFI দিয়ে মোবাইল APP চালাতে পারবেন ।

৩) কম্পিউটার / ল্যাপটপ যে এ্যাকাউন্ট ব্যবহার করছেন সেটা মোবাইল APP এ ব্যবহার করতে পারবেন. কিন্তু একাধিক মোবাইল এ ব্যবহার না করে ভালো.

৪) একই WIFI এ একাধিক এ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন না । ডিভাইস আলাদা হলেও একটা WIFI এর আন্ডার এ একটা এ্যাকাউন্টই থাকা ভালো। কারণ হলো আপনি একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করলেও। IP ১টাই থাকবে এতে আপনার এ্যাকাউন্ট ডিসএবল হওয়ার চান্স থাকবে।

ডিসএবল একাউন্ট:

১) এ্যাকাউন্ট ডিসএবল হলে , উইন্ডোস নতুন করে দিবেন , ব্রাউসার নতুন করে ইনস্টল দিবেন। নতুন ইমেইল এড্রেস এন্ড নতুন নম্বর দিয়ে ফ্রেশ একাউন্ট খুলবেন । আসা করি প্রব্লেম করবে না।

২) এ্যাকাউন্ট এ same সোশ্যাল মিডিয়া এ্যাকাউন্ট অ্যাড করবেন না । যদি অ্যাড করতে চান তাহলে ডিফারেন্ট করবেন । আগেরটার সাথে যেনো কোনো মিল না থাকে। আর যদি ঝামেলা মনে হয় তাহলে না অ্যাড করে ভালো ।

নতুন গিগ:

১) গিগ এ কোনো কপি পেস্ট করবেন না । সব নিজে লেখার চেষ্টা করবেন ।

২) নতুন অবস্থায় ৭টা গিগ আপলোড দিবেন । এতে কাজ পাওয়ার চান্স বেশি থাকে ।

গিগ ইমেজ:

১) ইউনিক গিগ ইমেজ দেয়ার চেষ্টা করবেন । এন্ড ইমেজ হবে সিম্পল এন্ড চোখে লাগে এমন।

২) ইমেজ এ টেক্সট দিবেন বড়ো করে তাহলে BUYER রা খুব সহজে আপনার গিগ কি টপিক এর উপর তা বুজতে পারবে ।

গিগ ডেসক্রিপশন:

১) গিগ ডেসক্রিপশন এ লিখবেন খুব সিম্পল এন্ড ডাইরেক্ট ফরওয়ার্ড ।আপনি কি সার্ভিস ডিসিশন সেটা তুলে ধরবেন। এন্ড পারলে একটু ডেসক্রিপশন তা মজাদার করে তুলবেন।

২) উপরের পিকচার এ যে স্টেপ গুলো দেয়া আছে ঐগুলো ফলো করলে আসা করি একটা ভালো গিগ ডেসক্রিপশন লেখা হয়ে যাবে যা আপনার গিগ rank করতে হেল্প করবে ।

গিগ কীওয়ার্ড :

১)গিগ কীওয়ার্ড গুলো খুব বুজে শুনে দিবেন । ১০টা টপ গিগ এর কীওয়ার্ড দেখে দেন নিজে একটা কীওয়ার্ড লিস্ট বানিয়ে সেগুলো দিবেন । কিন্তু ফুল কপি করবেন না একজন এর কাজ থেকে। ৫ জন এর থেকে 5টা নিন জিনিস নিয়ে কাজ করতে পারবেন।

২) ভিডিও দেয়ার চেষ্টা করুন:

Fiverr হচ্ছে এমন ১টি মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি যাই পারেন না কেন তা দিয়েই আপনি ইনকাম করতে পারবেন। অর্থাৎ ফাইবার হচ্ছে এমন একটি বেচা কেনা করার মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি একটি প্রোডাক্ট বিক্রি করবেন আর একজন বায়ার সেটি আপনার কাছ থেকে কিনবে।

www.fiverr.com আপনি যে কাজটি পারেন সেটি এ সাইটে অফার করবেন এবং বায়ার তার প্রয়োজন অনুযায়ী আপনাকে দিয়ে কাজটি করিয়ে নেবে। সুতরাং এখানে আপনাকে কাজ খুজঁতে হবে না বরং বায়ারই তার কাজ করানোর জন্য আপনাকে খুঁজে নেবে।

  অবশ্যই Fiverr Account Sign Up করবেন। এবং কাজ শুরু করবেন। আপনার জীবন বদলানোর দায়িত্ব আপনার।

Fiverr একাউন্ট সাস্পেন্ড হওয়ার কারন কি কি?

Fiverr একাউন্ট সাস্পেন্ড হওয়ার কারন :

Fiverr আপনি কাজ করছেন কিন্তু আপনি জানেন না কিভাবে কাজ করলে আপনি Fiverr থেকে সাস্পেন্ড হতে পারেন। Fiverr এ অনেকদিন ধরে কষ্ট করে কাজ করে ফ্রিল্যান্সাররা একটা ভালো প্রোফাইল তৈরি করার পর যদি কোনো কারণে সেই প্রোফাইল সাসপেন্ডেড হয় তবে সেটা একজন ফ্রিল্যান্সারের জন্য খুবই কষ্টের।

আবার নতুন করে শূণ্য থেকে সব শুরু করাটা অনেক কঠিন। আমরা একটু সতর্ক থাকলেই অ্যাকাউন্ট ব্যান হওয়া থেকে বাঁচতে পারি। Fiverr তাদের Rules ভঙ্গের জন্য অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে। আমরা অনেকেই Fiverr এর Terms of Service না পড়েই কাজ করি এবং নিজের অজান্তেই Rule ভেঙ্গে ফেলি।

তাই কি কি কারণে অ্যাকাউন্ট ব্যান হতে পারে সেই বিষয়গুলো জানা দরকার। যে সব নিয়ম না মানলে সাধারনত ফাইবার একাউন্ট সাস্পেন্ড করে দেয় তা হলো-

১।আপনি যদি আপনার একই নাম দিয়ে একাধিক এ্যাকাউন্ট  ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার এ্যাকাউন্ট সাস্পেন্ড হবে।

২) কাজের অর্ডার পাওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ জমা দিতে না পারলে এ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে যেতে পারে।

৩) আপনি যদি আপনার বায়ারকে মেসেজে কিংবা গিগে অপ্রাগংগিক কথা বলেন তাহলে সাস্পেন্ড হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

৩) অন্যের গিগ থেকে নকল করে নিজের গিগ তৈরি করলে সেই এ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে যাবে।

৪) ফেইক গিগ সেল এন্ড রিভিও করলে।

৫) আপনি যদি আপনার কোনো পারসোনাল ইনফরমেশন ফাইবারে আপনার বায়ার এর সাথে শেয়ার করে থাকেন, তাহলে ফাইবার আপনার একাউন্ট সাস্পেন্ড করে দেবে!

৬) অন্যের গিগ ইমেজ কপি-পেস্ট করলে সাস্পেন্ড করে দেবে।

৭) গিগের টাইটেল এবং গিগ ডেস্ক্রিপশান কোনো কপি পেস্ট করলে সাস্পেন্ড করে দেবে।

৮) গিগে কোনো লিঙ্ক শেয়ার করলে সাস্পেন্ড হয়ে যাবেন।

৯) একটা পেপাল এ্যাকাউন্ট কিংবা পাইওনিয়ার এ্যাকাউন্ট যদি একাধিক ফাইভার এ্যাকাউন্ট এ যুক্ত থাকে সেটার জন্য বিপদ হতে পারে।

১০) একই তথ্য দিয়ে একের অধিক এ্যাকাউন্ট খুললেও বিপদের আশংকা রয়েছে।

১১) ফাইবার এর কোনো ক্লায়েন্ট কে ফাইবারের বাইরে নিয়ে আসার চেষ্টা করলে ফাইবার একাউন্ট সাস্পেন্ড করে দিয়ে থাকে।

১২) কোনো বায়ারকে Fiverr এর বাইরে পেমেন্ট দেয়ার জন্য অনুরোধ করা, অথবা কোনো বায়ারের এই ধরনের অনুরোধে রাজি হওয়া।

১৩) Fiverr এর ভিতরে স্প্যামিং করা, বায়ারদেরকে অপ্রয়োজনীয় মেসেজ দেয়া, কোনো কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত পরিমানে কাস্টম অফার পাঠানো।

১৪) কোনো বায়ার বা সেলারকে ধর্ম, বর্ণ, জাতি ইত্যাদি নিয়ে অপমানজনক কথা বলা।

১৫) গিগের description, Image বা অন্য কোনো কিছু অন্যের গিগ থেকে কপি করা।

১৬) অ্যাডাল্ট/পর্নোগ্রাফি এই ধরনের কোনো গিগ অফার করা।

এর বাইরেও আরো অনেক কারণ আছে অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হওয়ার। কারো কাছে আরো তথ্য থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন। আশা করি সবাই Fiverr এর গাইডলাইন অনুসরণ করে চলতে পারবেন। যাতে অ্যাকাউন্ট সাসপেন্সনের  হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন। মূলত এইগুলাই মূল কারন আপনার একাউন্ট সাস্পেন্ড এর। আরো কিছু কারনে আপনার ফাইবার একাউন্ট টি ডিজেবল হয় যেতে পারে।

সেগুলো হলো-

১। এক একাউন্ট একাধিক ডিভাইসে কানেক্ট করলে।

২। শেয়ার আইপি ব্যবহার করলে।

৩। তারপর হচ্ছে এক পিসিতে একাধিক একাউন্ট

Fiverr Pro Seller বলতে কি বোঝায়? কিভাবে অ্যাপ্লাই করবেন?

Fiverr Pro Seller বলতে কি বোঝায় ?

Fiverr এ সাধারনত এতো বড় বড় বায়াররা সব সময় খুব হাইলি প্রফেশনাল সার্ভিস খুঁজে থাকেন। এসব বায়াররা সাধারণত কোয়ালিটি সার্ভিসের জন্য অনেক বেশি খরচ করতেও রাজি থাকেন। সেইসব বড় বায়ারদের কথা মাথায় রেখেই ফাইভার নতুন একটা ফিচার নিয়ে এসেছে

– তা হলো Fiverr Pro । সেলারদের মধ্যে যারা হাই কোয়ালিটি সার্ভিস প্রদান করে তাদের থেকে কিছু সেলারের গিগকে ভেরিফাই করে প্রো স্ট্যাটাস দেয়া হচ্ছে। Fiverr Pro স্ট্যাটাস পাওযার মানে হল আপনার সার্ভিস খুবই প্রফেশনাল যেটা কিনা ফাইভারের দ্বারা ভেরিফাইড করা।

Fiverr Pro সেলার নির্বাচন করার ক্ষেত্রে কি কি বিবেচনা করা হয়?

Fiverr Pro সেলার হওয়ার জন্য অ্যাপ্লিকেশন ফর্মে সেলারের প্রফেশনাল ব্যাকগ্রাউন্ড, উচ্চশিক্ষা, ইতোমধ্যে সম্পন্ন উল্লেখযোগ্য প্রোজেক্টস ইত্যাদি তথ্য প্রদান করতে হয়। এইসব তথ্য বিবেচনা করে পরবর্তীতে ফাইভার কর্তৃপক্ষ আপনার সাথে যোগাযোগ করবে যদি আপনি প্রোসেলার হওয়ার জন্য নির্বাচিত হোন।

 Fiverr Pro সেলার হওয়ার সুবিধা গুলো কি কি ?

Fiverr Pro সেলাররা যেহেতু ফাইভারের ভেরিফাইড সেলার, তার মানে হল বায়াররা খুব সহজেই আপনার গিগের সার্ভিসের উপর নির্ভর করবে। যেহেতু আপনার প্রো স্ট্যাটাস আছে, তার মানে হল আপনি বাকি সাধারণ সেলারদের থেকে আলাদা।

আপনি আপনার গিগে একটু বেশি প্রাইস অ্যাড করলেও যেহেতু বায়াররা দেখছে আপনি ভেরিফাইড সেলার তাই আপনি বেশি প্রাইসেও ভালো পরিমান সেল পাবেন। আপনার গিগের উপর Fiverr Pro ব্যাজটি দেখাবে যেটা আপনাকে বায়ারের কাছে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য করে তুলবে। একই সাথে প্রো সেলার হিসেবে আপনাকে একজন ডেডিকেটেড সাকসেস ম্যানেজার দেয়া হবে।

Fiverr Pro  কাজে  অ্যাপ্লাই করবেন কিভাবে?

Fiverr Pro এ নতুন পুরাতন যে কোনো সেলার অ্যাপ্লাই করতে পারবেন। অ্যাপ্লিকেশনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি এবং অ্যাপ্লিকেশনের লিঙ্কটি এখানে ক্লিক করলে পাবেন ।

 Fiverr Pro এর জন্য কোন মেম্বারশীপ ফি আছে কি?

কোনো মেম্বারশীপ ফি নেই কিংবা অতিরিক্ত কোনো চার্জ দিতে হয় না। ফাইভারের অন্য সকল সেলারের জন্য যেই ফি, প্রো সেলারদের অর্ডারেও একই হারে চার্জ কাটা হয় অর্থাৎ ২০ শতাংশ।

 Fiverr Pro ফিচারটি কোন  ক্যাটাগরীতে অ্যাড করা হয়েছে ?

বর্তমানে কিছু খিচু ক্যাটাগরীতে Fiverr Pro চালু করা হয়েছে। এগুলো হল:

Graphic & Design > Logo Design

Digital Marketing > Social Media Marketing

Video & Animation > Whiteboard & Explainer Videos

Writing & Translation > Articles & Blog Posts

পরবর্তীতে ধীরে ধীরে অন্য সকল ক্যাটারীতে প্রো ফিচারটি অ্যাড করা হবে। যদিও এখন হয়তো আপনার ক্যাটাগরীতে প্রো ফিচারটি নেই, তারপরও আপনি অ্যাপ্লাই করে রাখতে পারেন।

 Fiverr Pro অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্ট হলে কি করা উচিত?

আপনি যদি কনফিডেন্ট হোন যে আপনি Fiverr Pro হওয়ার যোগ্যতা রাখেন এবং অ্যাপ্লাই করার পর রিজেক্ট হোন, তবে পরবর্তীতে চিন্তা,ভাবনা করে অ্যাপ্লিকেশন ফর্মটি আবারে ফিল আপ করেন যাতে আপনার যোগ্যতাগুলো আরো সুন্দরভাবে তুলে ধরতে পারেন ।

 রিজেক্ট হলেও বার বার অ্যাপ্লিকেশন করতে পারেন। তাতে কোন সমস্যা হবে না।

বর্তমান গিগকে কি Fiverr Pro গিগ বানানো সম্ভব ?

Fiverr Pro গিগটি হবে আপনার বর্তমান গিগ থেকে আলাদা। আপনার অ্যাপ্লিকেশনটি অ্যাপ্রুভ হলে আপনি প্রো গিগটি করতে পারবেন। তাই আপনার বর্তমান গিগকে প্রো গিগে কনভার্ট করার কোনো সুযোগ নেই। আপনি যদি ভালো মানের সার্ভিস প্রোভাইডার হয়ে থাকেন এবং আপনি যদি মনে করেন যে আপনি প্রো সেলার হওয়ার যোগ্যতা রাখেন,

তবে আজই অ্যাপ্লাই করে ফেলেন। Fiverr Pro সেলার নিয়ে কারো কোন প্রশ্ন থাকলে নিচের কমেন্ট সেকশনে করতে পারেন, আমি চেষ্টা করব যত দ্রুত সম্ভব আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার। আশা করব আমাদের মধ্য থেকে খুব তাড়াতাড়ি অনেকেই প্রো সেলার হতে পারবেন।

Fiverr মার্কেটপ্লেসে সফল হবার উপায় সমূহ আলোচনা কর?

Fiverr মার্কেটপ্লেসে সফল হবার উপায় সমূহ :

নতুন হিসেবে আপনার এমন অনেক স্কিলই রয়েছে যা দিয়ে আজই আপনি ক্রিয়েট করতে পারেন একটি গিগ এবং শুরু করতে পারেন আপনার অনলাইন ক্যারিয়ার। আজ আপনাদের সাথে এমনই কিছু টিপস শেয়ার করব যা ফাইবার মার্কেটপ্লেসে সফল হতে কিছুটা হলেও কাজে দিবে।

১. ফাইবার কিংবা অনলাইন মার্কেটপ্লেস এ কাজ করার পূর্ব শর্তই হচ্ছে আপনাকে যে কোন একটি বিষয়য়ে ভাল দক্ষতা থাকতে হবে। আমি ধরে নিচ্ছি আপনারও এমন কিছু না কিছু বিষয় রয়েছে যে কাছে আপনি অনেক দক্ষ এবং অনেকের থেকেই ভাল করেন।

 সুতরাই সেই কাজটি দিয়েই কিয়েট করতে পারেন আপনার প্রথম গিগ। বিষয়টি আরো একটু সহযে বোঝার জন্য ফাইবার মার্কেটপ্লেস এ ভিজিট করুন এবং ক্যাটাগরিতে গিয়ে দেখুন সেখানে এমন অনেক কিছুই রয়েছে,

 এর মধ্যে আপনি যে কাজটি ভাল পারবেন সেটাকেই বেছে নিতে পারেন আপনার পেশা হিসেবে।

২. ফাইবারের একটি রিসার্চ এ দেখা গিয়েছে যে গিগ গুলোতে ভালোমানের ভিডিও থাকে সেগুলো ২০০% বেশি সেল পেয়ে থাকে। তাই, আপনার দক্ষতা এবং বেষ্ট কাজগুলো গুলো দিয়ে একটি সুন্দও ভিডিও বানিয়ে গিগে আপলোড দিতে পারেন।

Sign Up Now Fiverr

৩. ডেলিভারি টাইম:

অনলাইন এ কাজের ক্ষেত্রে কমিটমেন্ট খুবই ইমপরটেন্ট। সুতরাং গিগ ক্রিয়েট করার সময় এই বিষয়টা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। আপনি যে সার্ভিসটি অফার করছেন যেটা কত দিনের মধ্যে ডেলিভারি দিবেন এবং সঠিক সময়ে ডেলিভারি নিশ্চিত করা আপনার পরবর্তীতে কাজ পেতে এবং গিগ র‌্যাঙ্কিং এর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ন।

৪. সুন্দর টাইটেল নির্বাচন:

একটা সুন্দর গিগ টাইটেল নির্বাচন করুন। যেটা খুজে পেতে সহজ হবে এবং এসইও ফ্রেন্ডলি।

৫. ব্রান্ডিং ইয়োর আইডেন্টিটি:

আপনি যে কাজটি করছেন ঠিকই একই কাজ অনলাইনে আরো অনেকেই করছে। সুতরাং বায়ার কেন আপনাকে দিয়ে কাজ করাবে কিংবা আপনি যে বিস্বস্ত এবং ভাল কাজ করবেন এটা বোঝানোটা খুবই গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়।

তাই একটি সুন্দর প্রোফাইল পিক নির্বাচন করুন। নিযের সমর্কে অল্প কথার মধ্যে খুব সহজ এবং সুন্দর একটি ডেসক্রিপসন দিন এবং একাউন্ট ক্রিয়েট করার সময় সুন্দর একটি ইউজার নেম নির্বাচন করুন।

৬. ফাইবার অ্যাপ:

ক্লায়েন্ট এর মেসেস এর দ্রুত রেসপন্স করা কাজ পাবার ক্ষেত্রে আর একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। কিন্তু সব সময় ল্যাপটব কিংবা কম্পিউটারের সামনে থাকাটা সম্ভব হয়ে ওঠেনা। এক্ষেত্রে আপনার স্মাট ফোনের জন্য ফাইবার অ্যাপটি ইন্সটল করে নিন।

ওর্ডার ডেলিভারি, বায়ার রিকুয়েস্ট, ক্লায়েন্টএর সাথে কমিউনিকেসন সহ আরো অনেক কিছুই আপনি কন্ট্রোল করতে পারবেন ফাইবার অ্যাপস দিয়ে।

৭. সঠিক মূল্য নির্ধারন:

ফাইবার এ সকল কাজের ক্ষেত্রে প্রাথমিক ভাবে $৫ ডলার নির্ধারন করা হয়ে থাকে। কিন্তু আপনার কাজের উপর ডিপেন্ড করে চাইলে $৫ ডলার এর বেশিও মূল্য নিধারন করতে পারেন। এক্ষেত্রে কাজ টি করতে কত সময় লাগবে, কাজটি করতে আপনাকে কতটা পরিশ্রম করতে হবে, কি টাইপের কাজ, এ কাজটি মার্কেট এ অন্যান্য সেলার রা কি রেট এ দিচ্ছে ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবেচনা করে আপনি কিছু প্যাকেজ ক্রিয়েট করুন।

অথবা আপনার সকল কাজের জন্য একটি প্রাইচ লিষ্ট তৈরি করুন। বায়ার যখন আপনাকে আপানর পারিশ্রকি যানতে চাইবে, আপনি আপনার  প্রাইচ লিষ্ট টা সেন্ড করুন অথবা গিগ এর প্যাকেজ চেক করতে বলুন। আপনাদের কাজে আসলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

Fiverr প্রোফাইলের বিবরন এতা গুরুত্বর্পূণ কেন?

আপনি যখন কোনও পেশাদার বা কোনও সংস্থার সাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন, আপনি সর্বদা জানতে চান যে সেই ব্যক্তি বা সংস্থাটি ঠিক কিনা। এর জন্য আপনি কি করবেন। আপনি গুগলে এগুলি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন, তাদের লিঙ্কডইন প্রোফাইলটি সন্ধান করতে পারেন বা তাদের সামাজিক মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলি দেখতে পারেন।

আপনি আপনার হার্ড-উপার্জিত অর্থ দিয়ে যে লোকদের উপর নির্ভর করছেন সে সম্পর্কে আপনি নিশ্চিত হতে চান। ফাইভারের ক্রেতাদের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। এখানে যখনই কোনও ক্রেতা আপনার ফাইভার প্রোফাইলে যায়। এবং “ক্রয়” বোতামটি ক্লিক করার আগে তিনি প্রথমে যা পড়েন তা হলো আপনার প্রোফাইলের বিবরণ (Description)

সুতরাং, আপনার কিছুটা মূল্যবান সময় বিনিয়োগ করে এবং এমন একটি প্রোফাইল তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ যা আপনাকে জানায় যে আপনি কে, আপনার কাজ কি এবং কেন ক্রেতাদের আপনাকে বেছে নেওয়া উচিত। আপনার প্রোফাইল চিত্র থেকে আপনার প্রোফাইলের বর্ণনায় আপনার প্রতিভা এবং দক্ষতা দেখানোর জন্য প্রতিটি বিভাগ সাবধানে পূরণ করতে হবে। ফাইবারে আপনি যদি কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই আপনার প্রোফাইল সুন্দর করে সাজাতে হবে।

যেন বায়ার দেখা মাএ মুগ্ধ হয়ে আপনাকে কাজ দেয়। কারন প্রোফাইলের প্রতি অংশ অনেক মূল্যবান।এখানে প্রতিটি অংশ আপনার কাজের সাথে সম্পর্কিত।  সুতরাং জেনে নিন কিভাবে একটি সেরা ফাইবার প্রোফাইল বিবরণ তৈরি করতে হয়:-

বেসিক ইংরেজি ব্যবহার করতে হবে:-

আপনি যখন ফাইবারের প্রোফাইলের বিবরন লিখবেন তখন দেখবেন আপনার লেখা যেন সর্বদা সহজ ইংরেজিতে হয়। ফাইভারে বেশিরভাগ ক্রেতাই অ-নেটিভ ইংলিশ স্পিকার। তাদের কঠিন শব্দ এবং জটিল লিখনগুলি বুঝতে অসুবিধে হয়। এজন্য আপনার বিবরণটি বোঝা সহজ হওয়া উচিত।

সঠিক বাক্য গঠন এবং ভাল ব্যাকরণ আছে তা নিশ্চিত করুন। কোনও ধরণের টাইপিং বা বানান ভুল এড়িয়ে চলুন। আপনার বিবরণটি ফাইভারে যুক্ত করার আগে এটি দু’বার প্রুফ্রেড করুন। তারপর কাজের দিকে প্রয়োগ করুন।

২. সংক্ষিপ্ত পরিচিতি সরবরাহ করতে হবে:-

আমি যখন আপনার পরিচয় দিবেন। তখন খেয়াল রাখবেন। একটি বা দুটি বাক্যে আপনার সংক্ষিপ্ত ভূমিকা লিখুন। এটি খুব সংক্ষিপ্ত এবং বিন্দুতে রাখুন। নিজের সম্পর্কে অফ-টপিক বিশদটি লিখবেন না। মনে রাখবেন এই বিভাগের জন্য আপনার ৬00 সীমাবদ্ধতার সীমা রয়েছে তাই প্রতিটি শব্দই গণনা করে।

৩. আপনার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কিছু লিখুন:-

আপনার প্রোফাইল বিবরণে আপনার কাজের অভিজ্ঞতার একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ থাকা উচিত। আপনি কি কাজ করেন। আপনি ফাইভারে যে পরিষেবাগুলি দিচ্ছেন সেগুলির জন্য প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতার কথা লিখুন। বর্ণনাকে পেশাদার রাখা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি আপনার কৌতুকগুলি এবং অনন্য ব্যক্তিত্বকেও উজ্জ্বল হতে দেওয়া উচিত।

 আপনি কিছু অতিরিক্ত বিশদ উল্লেখ করতে পারেন যা আপনাকে অন্য বিক্রেতাদের মধ্যে আলাদা করে তুলতে পারে। টেবিলে আনার জন্য আপনার কাছে বিশেষ কিছু রয়েছে তা দেখান।

৪. গ্রাহক সন্তুষ্টির দিকে মনোযোগ দিতে হবে:-

গ্রাহক সন্তুষ্টি ফাইভারে ব্যবসা চালানোর একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। আপনার ক্রেতাদের সম্পর্কে আপনি যে বর্ণনাটি বর্ণনা করেছেন তার মধ্যে সংজ্ঞা দিন এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি যা আপনার কাজকে গাইড করে। একটি পুরানো প্রবাদ আছে যা বলে যে কোনও গ্রাহক সেবারের মূল্যটি মনে রাখার চেয়ে বেশি দীর্ঘ সময় ধরে পরিষেবাটি মনে রাখবেন। যদিও এটি সমস্ত ক্রেতার ক্ষেত্রে সত্য নাও হতে পারে, এটি দুর্দান্ত গ্রাহক পরিষেবাতে তুলনামূলক প্রভাবটি দেখাতে পারে।

৫. একটি পরিষ্কার এবং তীক্ষ্ণ বিবরণ লিখতে হবে:-

আপনার প্রোফাইল বিবরণটি ক্রেতাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস এবং উৎসাহ তৈরি করতে সহায়তা করে । এটিতে একটি প্রবাহ এবং স্পষ্টতা থাকা উচিত। মনে রাখবেন, এই বিবরণটি কোনও কভার লেটার নয় তাই প্রচুর আনুষ্ঠানিকতা এবং অপ্রয়োজনীয় বিশদ যুক্ত করার দরকার নেই।

৬. অ্যাকশন কল করতে হবে:-

বর্ণনার কাজ শেষ হলে সর্বদা অ্যাকশনে একটি কল লিখুন। কিছু ক্রেতা কেবল আপনার সাথে যোগাযোগ না করেই বাউন্স বন্ধ করে দেয় কারণ আপনার পরিষেবাদি সম্পর্কে তাদের মনের উত্তর নেই। সুতরাং, ক্রেতাদের যদি কোনও প্রশ্ন বা বিভ্রান্তি থাকে তবে একটি বার্তা ছেড়ে দিতে উৎসাহিত করুন। আপনার নমুনা দেখতে বা কেনাকাটা করতে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে বলুন।

আশা করি আর বুঝতে বাকি নাই। ফাইবারে কাজ করতে হলে আপনাকে কি করতে হবে। এবং কাজ পেতে হলে কেমন প্রোফাইলে তৈরি করতে হবে।

(Fiverr রে আপনি কাজ করতে চাইলে Sign Up করে এখানে কাজ শুরু করতে পারেন। আমার বিশ্বাস অল্প দিনের মধ্যে আপনি ভালো অংকের টাকা আয় করতে পারবেন। কারন এখানে সবার জন্য কাজের ব্যবস্থা আছে।)

Fiverr Referral Program সম্পর্কে আলোচনা জেনে নিন।

অনুমোদিত প্রোগ্রাম ছাড়াও, ফাইভারের নিজস্ব রেফারাল প্রোগ্রাম রয়েছে – এবং উভয়ের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে।

উদাহরণস্বরূপ,

রেফারাল প্রোগ্রামে যোগদানের জন্য আপনাকে সাইন-আপ ফর্ম পূরণ করার দরকার নেই, আপনাকে কেবল ক্রেতা বা বিক্রেতার হিসাবে প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধিত করতে হবে। আপনার যদি একটি ফাইভার অ্যাকাউন্ট থাকে তবে আপনি কেবল আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে রেফারেল প্রোগ্রামটি অ্যাক্সেস করতে পারেন।

এটি করতে, আপনার ব্যবহারকারীর ছবিতে ক্লিক করুন এবং “রেফার করুন এবং 100 ডলারে উঠুন” নির্বাচন করুন।

Fiverr CPA Fiverr Hybrid AndCo Fiverr Learn

Fiverr Business Fiverr Sub Affiliates

কীভাবে ফাইবার রেফারাল প্রোগ্রামে নেভিগেট করবেন?

ফাইভার রেফারাল প্রোগ্রাম সম্পর্কে আপনার সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল আপনার অনুমোদিত পেমেন্ট বা পেমেন্ট বা অনুমোদিত অ্যাকাউন্ট হিসাবে অনুমোদিত প্রোগ্রাম হিসাবে অর্থ প্রদান করা হয় না, তবে আপনি কেবল ফাইভার ক্রেডিট পান (বর্তমানে $ 500 ডলার সর্বোচ্চ)।

যদি কেউ আপনার লিঙ্কটি থেকে কেনে, আপনি আপনার পরবর্তী আদেশে তাদের প্রথম অর্ডার পরিমাণের 20% ছাড় পাবেন ($ 100 মার্কিন ডলার) আপনার লিঙ্কটির মাধ্যমে যে ব্যক্তি কেনাকাটা করেন তিনি 20% ছাড়ও পাবেন। তবে অনুমোদিত প্রোগ্রামের মতো, ব্যক্তির প্রথমবারের ক্রেতা হওয়া দরকার।

.

সুতরাং আপনি যখন ফাইভার রেফারাল প্রোগ্রামটি দিয়ে কোনও অর্থোপার্জন করবেন না, আপনি আপনার পরবর্তী আদেশে কমপক্ষে $ 500 পর্যন্ত সঞ্চয় করতে পারবেন।

ফাইভার ব্যবহারের সুবিধাগুলি এবং সীমাবদ্ধতাগুলি নিয়ে আলোচনা কর?

আপনি কেন ফাইবারে কাজ করবেন তার কিছু উপযুক্ত কারন আছে। আমার দেখা এবং জানা মতে ফাইবার একটি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি সহজে কাজ করে অনেক ডলার আয় করতে পারবেন। পাশাপাশি এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনেক ডলার কমিশন ও পাবেন।

তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক আপনি কেন ফাইবারে কাজ করবেন।

ফাইভার ব্যবহারের সুবিধাগুলি এবং সীমাবদ্ধতার মধ্যে রয়েছে:

পেশাদাররা:

    ফাইভার একটি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত প্ল্যাটফর্ম।

    নেটওয়ার্কটি কোনও ক্রেতার কাছে কল্পনাযোগ্য প্রতিটি দক্ষতা সরবরাহ করে।

    সমস্ত Fiverr প্রো পরিষেবা এবং কিছু নির্বাচিত মূল Fiverr পরিষেবাগুলির জন্য হাই কমিশন।

    সমস্ত অনুমোদিত লিঙ্কে 12 মাসের ট্র্যাকিং কুকি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    গভীর লিঙ্ক উৎপন্ন করার সম্ভাবনা।

    Fiverr সামাজিক মিডিয়াতে প্রচারের অনুমতি দেয়।

কনস:

  অনুমোদিতরা কেবল প্রথমবারের ক্রেতাদের জন্য কমিশন পায়।

  ফাইভার প্রো কমিশনকে s 150 এ টুপি দেয়; এর অর্থ হ’ল ক্রেতা যদি 10,000 ডলারের একটি পরিষেবাও কিনে তবে আপনি কেবল 150 ডলার কমিশন পাবেন।

  ফাইভারের সমস্ত জিগ দুর্দান্ত মানের নয় বলে আপনি কী প্রচার করছেন সে সম্পর্কে আপনাকে সতর্ক হওয়া দরকার।

   এটি বেশ স্পষ্ট হলেও স্পষ্টভাবে যে ফাইভার অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামের উপকারিতা এর অসুবিধাগুলি ছাড়িয়ে যায়। আপনি যদি ফাইবারকে সঠিক উপায়ে প্রচার করেন তবে আপনি সহজেই প্রতি মাসে 3000 ডলার করতে পারবেন।

Fiverr রে আপনি কোন কোন কাজ করতে পারবেন জেনে নিন?

Fiverr Affiliates  প্রোগ্রামে আপনার আয়ের সর্বাধিকতর সাহায্যে  করতে এবং প্রতিটি অনুমোদিত চ্যানেল বানাতে, বৃদ্ধি করতে এবং নিজের কাজের স্কেল বাড়ানো  সহায়তা করার জন্য হ্যান্ডপিকযুক্ত পরিষেবাগুলি দিয়ে থাকে। আমি ধাপে ধাপে তার বিষয়ে আলোচনা করছি।

ব্লগ এবং ওয়েব সাইটে আপনি যে ধরনের কাজ করতে পারবেন তা হলো:-

    নতুন সামগ্রী তৈরি করতে পারবেন।

    ক্রিয়েটিভগুলি রিফ্রেশ করতে পারেন।

    ওয়েব এবং মোবাইল সামগ্রী বিষয়ে

    ডিজাইনের কাজ করতে পারেন।

    মার্কেটিং ক্রিয়েটিভ হতে পারেন।

    এসইও এর বিষয়ে লিখতে পারেন।

    আপনার অনলাইন উপস্থিতি তৈরি করতে হবে।

    কাস্টম লোগো দিয়ে আপনার ব্লগ ব্র্যান্ড তৈরি করতে পারেন।

    সামগ্রী তৈরির গতি বাড়াতে হবে।

    সামগ্রী প্রুফ্রেড করতে হবে।

    অনুসন্ধানের স্থান উন্নত করতে হবে।

    আপনার ক্রিয়েটিভস স্পাইস আপ করতে হবে।

    আপনার সোশ্যাল মিডিয়া বিপণন বুস্ট করতে হবে।

    ওয়েব অ্যানালিটিক্সের মাধ্যমে আপনার পারফরম্যান্সকে উন্নত করতে হবে।

    আপনার চ্যানেলগুলিতে কাজের গতি বাড়াতে হবে।

 ওয়েব অ্যানালিটিক্স এবং আরও অনেক কিছুর বিষয়ে কাজ করতে পারেন। কাজের পরিধি বিবেচনা করে আপনি যা করতে পারেন। তা হল: –

Facebook সামাজিক সাইটে আপনি যে ধরনের কাজ করতে পারবেন।

    ফেসবুক এ্যাকাউন্ট তৈরির কাজ।

    ফেসবুক প্রোফাইল সেট আপের কাজ

    বিভিন্ন সামাজিক বিজ্ঞাপন ডিজাইনের কাজ

    সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপনের সাথে ভাইরাল হন

    আপনার পৃষ্ঠার কভারটি স্পাইস করতে পারেন।

    ভিডিও সম্পাদনা করতে সহায়তা করার কাজ

    এক্সপ্রেস 24 এইচ পরিষেবা দিতে পারেন।

    ফেসবুক ব্যবসায়ের পৃষ্ঠা পরিচালনা করার কাজ

    আপনার বিভিন্ন কাজ বুস্ট করার কাজ

Instagram সামাজিক সাইটে আপনি যে ধরনের কাজ করতে পারবেন।

এখানে আপনি যে ধরনের কাজ পাবেন। তা হলো:-

    ফটো ডিজাইনের কাজ

    গল্প আইকনগুলি কাস্টমাইজ করার কাজ

    ইনস্টাগ্রাম বিভিন্ন প্রচার প্রচারনা করতে পারেন।

    একাউন্ট ঠিক করার কাজ

    ইনস্টাগ্রাম ফিল্টার ডিজাইনের কাজ

    ভিডিওগুলি নিখুঁত ভাবে তৈরি করার কাজ

    সামাজিক বিজ্ঞাপন ডিজাইন করার কাজ

    অনুসারীদের জিআইএফ-এর সাথে নিযুক্ত করুন

    এটি দ্রুত হয়ে উঠুন: 24H পরিষেবা এক্সপ্রেস করুন

    আপনার অন্যান্য চ্যানেলগুলি বাড়ান

Youtube Channels সামাজিক সাইটে আপনি যে ধরনের কাজ করতে পারবেন।

আপনার ইউটিউবে ভিডিও দিতে যে কাজ গুলি করতে হয় তা আপনি এখানে পাবেন তা হল:-

    ইউটিউব চ্যানেল খুলার কাজ

    ইউটিউব থাম্বনেইল ডিজাইন করার কাজ

    কাস্টম আর্ট ডিজাইনের সাথে আপনার ইউটিউব চ্যানেলটিকে ব্র্যান্ড করতে পারেন।

    ইন্ট্রোজ এবং আউটরোসের সাথে আরও মনোযোগ দিন

    ভিডিও সম্পাদনা করতে সহায়তা করতে পারেন।

    সাবটাইটেল এবং ক্যাপশন সহ একটি বৃহত্তর শ্রোতা ক্যাপচার করার কাজ

    পণ্যদ্রব্য নকশা করার কাজ

    ভিডিও তৈরির কাজ

    ভিডিও আপলোড করার কাজ।

 এছাড়াও আপনি এখানে অনেক ধরনের কাজ পাবেন। লেখা গুলো পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদেরকে শেয়ার করতে ভুলবেন না । আপনার সুচিন্তিত মতামত আমার একান্ত কাম্য। তাই এই বিষয়ে আপনার যদি কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। আমি আনন্দের সহিত আপনার মতামত গুলো পর্যালোচনা করে রেপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করবো।

ভাল থাকবেন।

(তাহলে আর দেরি করছেন কেন। আমি আপনাদের কে ধারাবাহিক ভাবে সকল কিছু বুঝিয়ে দিলাম আশা করি আপনাদের আর কোন সমস্যা হওয়ার কথা না। তাহলে আজিই সাইন আপ করে কাজ শুরু করে দিতে পারেন। সুনাম ধন্য Fiverr সাইটে)

Leave a Comment